সেদিন গগনে করিছে খেলা
পবন অনাবিত প্রাণের দোলায় দোলিছে দোলা ।
স্তব্ধ নীল যবনিকার খোলেছে পরশ ডানা ,
আকষ্মিত ধরণীর মাঝে এ যেন নূতন পূরবী ।
প্রভাতে মায়ের ডাকে ,
শিওরে উটিলেম খাটে "
বাতায়ন ধারে পাঁখ পাখাঁলীর চেছামেছীর গুঞ্জনের সাথে ।
নিদ্রা হতে উটি বসিলেম লোকালয়ের অদূর ফাঁকে
কহিলেম /
মা --
আজকের এই প্রভাতটাকে আমি কি কখনো দেখেছি আগে ।
এত সুন্দর , এত শুভ্র, এত মণিহার ,পরিধার চারিপাশে ।
অবধেই মায়ের উচ্ছ্বসিত বানী বর্ণনাতে ,
তোইতো জানিসনে বোকা ---
আজি শুভ নববর্ষের অন্দোলিত স্বদেশ পরতে পরতে ।
আকাশে, বাতাসে , মাতৃকার ,সুমহার,
হিমাদ্রিরাও বেঁধেছে বন্ধন আপন কলতানে ।
নূতন ধানে শিশিরের ভাজে কৃষাণরা ধরেছে ভাটিয়ালি গান ,
মা বকিছে / যা- না- ঘরের বাহিরে ,
দেখে আয় সেই নিত্য সুরের মুলতান ।
অদূরে মাঝির পাগল পারা সুর /
যেন মধুর হয়ে বাজিছে আমার বক্ষিনে ।
আত্মহারা প্রাণ , হে নববর্ষের আহ্বান
আপনারে মনে মনে গুনিলেম আপন কুণ্ডিতে ।
বয়স তখন তের - চৌদ্দ্যের মাঝ পথে
কে যেন আমি নব জন্মের আমার ধারে
রচিতে শিখেছি আপনারে ।
সবুজ , সুফলা, শ্যমল ,বাংলা ,
শিউলি , বকুল , গন্ধে মুহরিত প্রাণের আবেশ
সে অবাগ রবি অন্ন রবির বিশেষ ।
হে নববর্ষ ---
তুমি কোথাই ছিলে এত দিন
তুমি বারতা লয়ে আসনী কেন ,
বাংলা ঘরে ঘরে প্রতিদিন ।
তুমি জাননা ----
তোমার হিমেল হাওয়াই ,
আমি মিশে আছি একা কার হয়ে ,
বহুবার ,বহুধার , পলক্ষন করেছি তোমায় ,
ঐ মায়ের আঁচলে লুকিয়ে \\