নিঝঝুম নিশি
তোমারি লাগি আছি বসি
কবে তুমি আসবে?
অতি সন্তর্পণে
চেয়ে আছি পথপানে
কবে তুমি আসবে?
উত্তপ্ত সবিতা
তোমারি তরে লিখছি কবিতা
কবে তুমি আসবে?
অঝোর বৃষ্টি
চেয়ে আছি অপলক দৃষ্টি
কবে তুমি আসবে?
কনকনে শীত
তোমারি সনে গাহিব গীত
কবে তুমি আসবে?
কবে? কবে? কবে তুমি আসবে?
কত বিনিদ্র রজনী কাটিয়াছি
বহু অজানা পথ পাড়ি দিয়াছি
তপ্ত তপনে তনুখানা পুড়িয়া
অবিরাম বর্ষণে কায়া খানি ভিজিয়াছি
কনকনে শিতে সিক্ত হইয়াছি
তারপরেও তুমি এলে না!
অবশেষে কোন এক বৃষ্টিস্রতা শীতের রাতে
মমত্ব;
কোন এক তপ্ত রবিমাখা দিবসে,
মরদেহ, বয়ে নিয়ে যায় শশ্মাণ ঘাটে।
তারপর?
তারপর তুমি এলে।

ক্ষণকাল নিষ্প্রতিভ বদনে
মৃদু কম্পিত চাহনে
চেয়ে ছিলে মোর পানে।

করো নি তুমি বিলাপ
করো নি তুমি অশ্রুপাত
করো নি তুমি আহাজারি
করো নি তুমি নেত্রবারি

শুধু বলেছিলে
অস্পষ্ট স্বরে
‘ভালোবাসি।’
সে হাতে-
সুখের সাগরে হাসতে হাসতে যায় ভাসি।