প্রতিটা প্রাণী পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছে ক্ষুধার তীব্রতা নিয়ে
এ রংমহল ব্যস্ততময় প্রতিমূর্হে ক্ষুধার জন্য।
এত চিৎকার চেঁচামেচি, এত আর্তনাদ, এত রক্তপাত
আচর্য এই ক্ষুধার ত্রিভুবনে।

তাকে এড়াতে পারিনা কিছুতেই প্রতিনিয়তই আসে
সীমাহীন অভাব নিয়ে অভাবে দরজায়
আর ছিরে খুরে খায় অসম্ভব জ্বালা নিয়ে।

পৃথিবীর বয়স আজ প্রায় পাঁচ হাজার বছর পেরিয়ে
তবুও সমাজ মুক্তি দেয়নি ক্ষুধার
তাই পৃথিবীর কিছু নারী আড়ালে বিক্রি করছে
নিজের সম্ভ্রম কামুকতার সব স্বাদ নির্দ্বিধায় গায়ে মেখে।

এইভাবেই আমাদের সভ্যতা হাজার বছর ধরে
ক্ষুধার হাতে বন্দী।

তাই আজও এই বেলায় ধুলো মেখে
ক্লান্ত তৃষ্ণার্ত হয়ে বাড়ী ফিরি।
ক্ষুধার স্বাদ আমাকে ছুঁয়ে যায়
ভীষণ অনুভব করি সেই আঁতুড় ঘরের কথা
শুধু আমার পৃথিবী বুজেছে আমার ক্ষুধা
আর মিটিয়েছে সেই অমূল্য অমৃত দিয়ে

মা, আমিতো তোমায় এখনো ডাকি
তুমি কোথায় মা, তুমি কোথায়? এই বেলায়
বেলায় ভীষণ ক্ষুধা পেয়েছে।

ক্ষুধা দেখি পলকে দরজার সামনে ষ্টেশনে, ফুটপাতে
করুণার দুহাতে " দুইডা টেহা দেন না ভাই, দুইডা টেহা"

দৃষ্টি যত দূরে যায় অতিপরিচিত এই জ্বালা দেখি
খুঁজি আচর্য পৃথিবীতে বেচে থাকার স্বার্থ
মানুষ খাচ্ছে পশুর মাংস পশু খাচ্ছে মানুষের
এমন কী মানুষ খাচ্ছে মানুষের
বেঁচে থাকা মানেই ক্ষুধার হাতে বন্দী
সভ্যতা এইভাবেই আজন্ম অসহায়
ক্ষুধা আসবে নিয়মের হাত ধরে
অসম্ভব জ্বালা নিয়ে।