দূর- বহুদূর হ্রদের উপর দিয়ে উড়ে আসা নীল প্রজাপতিটা
তার রঙ- বেরঙের ডানায় করে বয়ে এসেছিল সুখবর-
তুমি আসবে।

তারপর!
তারপর তুমি আসবে- আসবে করে কেটে গেছে কত ফাল্গুন,
কত বসন্ত
তবুও মিললোনা তোমার দেখা।

আজ দ্যাখো-
রক্ত পলাশটা সব রক্ত ঝরিয়ে রিক্ত- শুন্য
এখন সাদা ফুল ঝরে ওটায়।

কত শীত পার হয়ে বসন্ত এল
বৃক্ষসব নতুন পোশাক বানিয়ে রেখেছে সেই কবে!
পরা কিছুই হলনা তাদের।

বরষার কান্নাগুলো সব জমে আছে হিমালয়ের চূড়ায়
পাহাড়ের সাথে তাদের প্রেম বুঝি এ জীবনে আর হলোনা!

নীলাম্বরীটার গর্জনে এখন আর নেই সফেদ ফেনা
সেখানে আজ শুধুই ধু ধু লবন!
সাদা লবণগুলো নীল জল শুষে হারিয়েছে তাদের স্ববর্ণ।

আর আমি-
এইত চলে যাচ্ছে দিব্যি!
বহুদিনের আকাটা দাঁড়ি- গোঁফে পয়সা বেঁচে যাচ্ছে বেশ;
বাঁচানো পয়সায় নিকোটিনের মজা লুটছি চরম আহ্লাদ- হর্ষে।

তবে খানিকটা দুঃখ কি জানো-
কার্বন প্রলেপ জমে তোমার আগমনী চিরকুটটা কালচে- মলিন হয়ে গেছে অর্ধেকখানা।

তবে পাঠাও না আ’রেকটি নতুন গান- পাখির কবিতা।
বেঁচে থাকি আরও কিছু আশায়-
তুমি আসবে... তুমি আসবে... তুমি আসবে...