ঐ যে দূর গ্রহে , জাগতিক প্রহর পিপাষা দেখেছি l অকপটে সব ধাতবতা ও বারুদের বন্ধুত্ব দেখেছি l বিপর্যস্ত আধুনিকের মর্ম বেদনা দেখেছি , দেখেছি , অজস্র সায়বর্গের সাথে সহবাস l বিনাশ কে মেমরি চিপ এর ভেতরে রেখে আর্তচিত শব্দ বের করতে দেখেছি l
আবর্জনার স্তূপে কিছু লতা গুল্ম,সবুজ বিশেষ l
ওরা বোধকে রিক্ততায় পরিবর্তন করে শব্দ করেছিল, শেষ করেছিল উত্তপ্ত গ্রহকে অভিশাপ ভেবে l প্রসব হয়েছিল কিছু দেয়াল l
জাগতিকতা বলতে ওরা বুঝতো, হার্ডড্রাইভ এ কপি করা কিছু ফ্রন্ট l এতো বড় নীল সবুজ গ্রহটাকে ওরা ধ্বংশ করেছে l
এখন আমি ভবিষ্যত বলছি , আমি গর্বিত, জীবন্ত আছি , উপজাগতিক গ্রহান্তরের ফসিল প্রকোষ্টে l ==========
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মনির খলজি
রপক কবিতায় শব্দ চয়ন ও বিন্যাস ভীষণ সুন্দর ! আমাদের এত সুন্দর সবুজ শামল ধরনীর ভবিষ্যত ধারণা এই মহাজাগতিক বিশ্বে অসাধারণ ভাবে তুলে ধরেছেন ...খুব ভালো লাগলো ....শুভকামনা রইল !
বিন আরফান. N/A
চেয়েছিলাম হালকার উপর ঝাপসা মারব. কিন্তু কবিতায় শব্দ প্রয়োগে সৃজনশীল দেখে থমকে গেলাম. নিয়মিত হোন তাই সর্বোচ্ছ দিলাম. অবশ্য প্রাপ্যও ছিলান তাই.
মামুন ম. আজিজ
আমি এটাকে অসাধরণ বলব। কারন এটা একটা চমৎকার সায়েন্স ফিকশন কবিতা হয়েছে। আমি আমাদের বন্ধ হয়ে যাওয়া সাহিত্য পত্রিকা আলোছায়ার জন্য বেনামে সা ফি কবিতা লিখেছিলাম ....আমি জানি কঠিন কাজ। ...তুমি অনেক চমৎকার লিখেছ। এই বিষয়ে আরও অনেকের লেখা উচিৎ মনে করি।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।