শুরু শেষ ফ্রেমে বাধা
মধ্য খানে চৌদ্দ ধাঁধাঁ
ধাঁধাঁর ভিতর হাসি-কাঁদা_
মম ধাঁধাঁয় শঙ্কা সদা।
প্রশ্ন জাগে, বাবারা কেমন?
চৌ-হাত-পায়ের মানুষ যেমন?
মা বলিতেন- ধার্মিক ছিলেন,
সহজ-সরল, সাদা-সিদা।
একদা বর্ষায় বিধাণ মেনে
বাবা গেলেন নিগূঢ় বনে,
হাল ধরিলেন, পাল উড়ালেন,
ভাইয়া হলেন শাহ্-জাদা।
কালো সূতার কুঞ্জ মালা
সদা কাঁদায় কোন সে কালা?
বিলাস, বেলী, জুই, চামেলী,
কখন ছড়ায় বিদুর জ্বালা?
বর্ষা এলে ভরসা হারাই,
এমন দিনেই ভাইকে তাড়াই,
সর্দি জ্বরে নিয়েছে তারে,
ভাবতাম এবার আমার পালা।
যাব বলেই এলাম ভবে,
কেউ বা রবে কর্ম যবে,
ফুল পঁচালে ফুলের শেকড়,
সইব কিবা সারা বেলা?
এইতো সেদিন কাজের ঘোরে,
মা বর্ষায় গোছল করে,
বর্ষাই হবে মরণ- কারণ,
কে জানিত এমন করে।
গগণে-নয়নে বর্ষা জল,
বোনটি দুদিন পায়না বল,
হে রহমান, দয়া কর_
আমায় নিয়ে বাচাও তারে।
বর্ষা কারো ঘড় পুড়ায়,
বর্ষা কারো জীবন গড়ায়,
আমার বর্ষা বিষাক্ত সূরা,
ভুলব তারে কেমন করে?