নিবৃত হোক , তুচ্ছ লোকের,
ক্ষুধার আকুল যন্ত্রণা;
এই সমাজের উচ্চ শ্রেণী,
কখনো তা চাইবে না।
থাকবো মোরা মত্ত শুধু,
ভোগ-বিলাসের মন্ত্রণায়;
অন্যদিকে না খেয়ে আজ,
অনাহারি যন্ত্রণায়।
তুচ্ছ বলে তাইতো তাঁরা,
থাকবে অনেক পিছু;
চায়বে তাঁরা অনেক,
তবে, পাবেনাতো কিছু।
ঐ শিশুটির ক্রন্দন-ধ্বনি,
শুনবে না আজ কেহ;
ধূলোয় মাখা, যে শিশুটির,
রুগ্ন-নগ্ন দেহ।
শীতের কাপড় হয়না অভাব,
ধনীর দুলাল যারা;
কাপড়…? সেতো অনেক কিছু,
যারা বস্ত্র-হারা।
ছয়টা ঋতু বুঝবে তাঁরা,
সকাল দুপুর সাঝে;
ছয়টা মিলে এক ঋতু আজ,
চারটা দেয়াল মাঝে।
তাঁরা যখন অনাহারে,
মরছে ধুঁকে ধুঁকে;
ধনীর দুলাল মায়ের হাতেও,
নিচ্ছে না ভাত মুখে।
আরাম-আয়েশ করতে মোদের,
হয়না অভাব টাকা;
ছিন্নমূলে অন্ন দিতে,
থাকবে পকেট ফাঁকা।
এতোই সুখে থাকি মোরা,
ভাবিনা পরের জন্য;
অহংকারে অন্যদের আজ,
করিনাতো গন্য।
ভাবিনা কেউ স্বার্থ ছাড়া,
আমরা, তাদের জন্য;
নামটা মোদের মানুষ হলেও,
আমরা নর-ঘৃন্য।
ভাববো যখন তাদের জন্য,
সবাই একই সাথে;
দারিদ্রতার মাত্রা তখন,
কমবে অনুপাতে।