একচল্লিশটা বসন্তের ফুলে সাজিয়েছি নীলসর্গ স্মরণিকা ।

আজও হয় ধর্ষিতা মা,শুনি হাহাকার কান্না। দেখি মনসার
বিষ পাঠ্যকলেবরে ! বন্দী শিশুর নিষ্পাপ ডানা ভাঙ্গার শব্দে,
ঘুম ছুটে যায় অপরগতার কষ্টে । সীমাহীন অস্থিরতায় থাকি
তোমারই অপেক্ষায় নির্মলী ! চন্দ্রপ্রভার আলো জ্বেলে নতুন
বছরের প্রতিশ্রুতিশীল অবগাহনের ডুব সাঁতারে, তুমি তুলে
আনো অনাগত শান্তি-সমৃদ্ধির মুক্তভরা ঝিনুক...

ব্যাঙের পোনা ছন্দেবন্দে হয় সর্বাশী-সর্বেশ্বর ।
বেড়ে চলে বেওয়ারিশ লাশের স্তুপ আর সত্ত্বাশ্রম !
শিকড় ভ্রূণের বিপন্নতায় তোমার পূর্বসূরির রক্ত সারণী,
রাজপথের আঙিনায় । দাসত্বের রাজ্যে দাসী চণ্ডালী
সংহারে , ধর নিঃসঙ্গ তরীর অরিত্র , কাণ্ডারি ! আমার
প্রাণপ্রতিম ,জল-নীলিকার জ্যোতিষ্ক, শৌর্য প্রশ্বাস...

স্যানা-টোরিয়ামের শীতল পাটিতেও যদি থাকি
ভেসে যাই কখনো মাংসের তুফানে,অনাবাদী -
যতনে রেখো প্রাপ্যটুকু অনিন্দ্য ফুলের নীলাঞ্জলি ।
অতীত পৈশাচিক আড়ম্বতাপূর্ণ অভিধান মুছে,
বজ্রকন্ঠে শুকের সুর ভাসাও রোদেলা ভালোবাসায়,
প্রান্তিক অসমাপ্ত ইতিহাস ,ঐতিহ্যের পাতায়...।