অজস্র মেঘের দাপটে প্রতিটি শ্রাবন প্রতীক্ষার প্রহর গুনে আকাশকে কাদাঁবে বলে আকাশের চোখের জলে সি্নগ্ধ হবে কদম জলের প্রতীক্ষায় থাকে রম্নক্ষ নদীও শ্রাবনের ঘুম ভাঙ্গে অজস্র চোখের জলে ভয়ংকর এক আর্তনাদ যেন শ্রাবনের অচেনা লাগে এই জল আর আর্তনাদতো আকাশের নয় এই জলতো মায়ের, এ যে মায়ের চোখের জল অভিমানী ছেলে ফিরবে বলে প্রতীক্ষায় থাকে মা শ্রাবনের কাদাঁ মাখা শরীরে ফুটবল হাতে ফিরবে বলে এখনো না খেয়ে প্রহর গুনে মা আকাশের বুকে মেঘের গর্জন শুনে শঙ্খিত হয় কোথায় আছে খোকা? খোকা ফিরেছে, ফিরেছে খোকার প্রিয় ফুটবলটিও তবুও কেন মায়ের এত আর্তনাত? আজ খোকা দৌড়ে এসে বলেনি খেতে দাও মা মায়ের আর্তনাদে শ্রাবনের মেঘের গর্জন ম্লান লাগে এই শ্রাবন শেষ হবে,আকাশের কান্নাও থামবে কিন্তু মা, মায়ের চোখের জলের শ্রাবন কি থামবে? অননত্দকাল মায়ের চোখের শ্রাবনের বৃষ্টি দেখবে অজস্র অভিমানী কদম
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
রুহুল আমিন
ধন্যবাদ শামীম আরা চৌধুরী ফয়সাল আহমেদ bipul Akther Hossain (আকাশ)
মামুন ম.আজিজ মিজানুর রহমান রানা
তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
প্রজাপতি মন আমার কবিতা পড়ার এবং মন্তব্য করার জন্য মায়ের আর্তনাত আপনাদের ভেতর জাগ্রত করতে পেরেছি এটাই আমার পাওয়া।
রুহুল আমিন
সত্যি আমি অভিভূত আর কৃতজ্ঞ আমার প্রিয় বন্ধুদের প্রতি কারন মিরসরাইয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ছাত্রদের নিয়ে লেখা আমরা কবিতাটা এতটা সাধুবাদ জানাবে তা আমি কল্পনাও করিনি। আমি চেয়েছি আমার কবিতায় সন্তানহারা মায়ের আর্তনাত সব পাঠকদের মধ্যে জাগরিত করতে। একজন মা যে কতটা কষ্ট নিয়ে নিজের বুকের ধন হরানোর ব্যাথা লালন করে চলবেন অনন্তকাল। আর আমার চেষ্টা যে আমার কিছু বন্ধুদের মনে হলেও জাগরন তুলতে পেরেছে এটাই আমার কবিতার সার্থকতা। ধন্যবাদ বন্ধুরা।
মনির মুকুল
চট্টগ্রামের পাহাড় ঢসে পড়ার বিষয় নিয়ে এ সংখ্যায় একটা গল্প পড়ার পর এই বিষয়টা নিয়ে একটা লেখার অভাববোধ করছিলাম। আপনার কবিতাটা ওপেন করার পর দ্বিতীয় লাইনে এই প্রসঙ্গের ঘোষণা দেখেই খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু পড়ার পর আমার মনটা ছেলেহারা মায়ের জন্য কেঁদে উঠেছে। “শ্রাবনের কাদাঁ মাখা শরীরে ফুটবল হাতে/ফিরবে বলে এখনো না খেয়ে প্রহর গুনে মা” এই কথাগুলো পড়ার পর আমার শরীরের লোমগুলো যেন কেমন করে উঠলো। সত্যি ভাই আপনি হৃদয়টা দোলা দিয়ে দিলেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা ও দোয়া রইল।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মে ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মে, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।