ওই পতাকাটিই একদিন বন্দি ছিলো, ঘাতকদের হাতে।
আমরাই তাকে মুক্ত করেছি_
আশীর্বাদ করেছি রক্ত-সিঁদুরে
সে আজ বাতাসের সাথে গল্পজোড়ে
দধীচির গায়ে বিস্ময়ের লবণ ছিটায়

স্বাধীনতা আমার কাব্য-নারীর অলঙ্কার, মায়ের নোলক
তারপরও সাহিত্যের উপকরণ খুঁজে পাওয়া ভার
নিরুদ্যম কবিতা কখনো শেকল ভাঙ্গার স্পর্ধা দেয় না

কবির বিদ্রোহী ধমনীতে এখন এইচআইভি'র বিচরণ
ক্ষমতার আগ্রাসন যে কবির প্রতিবাদী ভাষাও কেড়ে নেয়
এই নির্মম সত্যটি কখনোই আমি বিশ্বাস করিনি

সমাজ ভাবুক মানুষের চেতনার বুদ্বুদ যদি কবিতা হয়
ক্ষুধার্ত তরুণীর শূন্য থালাটির কী নাম দেবো আমি

রাস্তার হাড্ডিসার ওই উলঙ্গ ছেলেটির দিকে তাকালে
আমার অবিশ্রান্ত কলম ক্লান্ত হয়ে আসে
নির্জীব কাগজটি চিৎকার করে ওঠে ধর্ষিতার মতো
শ্বাসরুদ্ধ কাব্য-ভাষা নিষ্প্রাণ পড়ে থাকে বধ্যভূমিতে
আমি যে কবিতা লিখতে পারি না।