গোধূলির রিমঝিম শেষে, উঠল পূর্ণিমার চাঁদ মুচকি হেসে
ছড়ায়ে রেশমি জোছনার উজ্জ্বল আলো দূর-দিগন্ত ঘেঁষে।সাথী ছিল সাথে।
আমোদে, আহ্লাদে, উচ্ছ্বাসিত কলকাকলিতে,উঠেছিল মেতেরাঙা অনুরাগে।
যেন হঠাৎ বসন্তের আগমনে ধেয়ে আসে হৃদয়-মন-প্রাণ মাতাল করা যৌবনের বাণ।
যেন স্রোতস্নীনি প্রেম যমুনার উত্তাল তরঙ্গে ভেসে বেড়ানো
একযুগল মুক্ত-বিহঙ্গের মধুর আলাপন।
আবেগে, সোহাগে, আদরে, আবদারে, প্রতিটি নিঃশ্বাসে-প্রশ্বাসে
উঠেছিল জেগে খুশীর আলোড়ন।
চলেছিল চঞ্চল মনের একটানা ছন্দবিহীন সুরেরগুন্ গুন্ গুঞ্জরন।
ক্ষণে ক্ষণে স্নিগ্ধ বাতাসের মিষ্টি চুম্বনে দুলে ওঠে শিহরণে মোর নাজুক বদন।
যেন স্বর্গোদ্যান!নানা বর্ণের ছন্দে, নিবিড় আনন্দে শুধু ভালোবাসার অবগাহন।
কল্পনায় করি বিচরণ, শূন্য নিবিড় স্বর্গলোকে।
এসেছিল নেমে অবাধ গতিতে সুখ নদীর ঢল।
যেন স্বপনে দেখা সুবর্ণ ঝিকিমিকি উজ্জ্বল আলোয় চমকিত একটি শীশমহল।
দিশাহারায় চঞ্চল মনময়ূরী আবেগে বিহ্বল, আঁখিদুটি তার ছল্ ছল্।
ভাগ্য হোক বিরল।
তবু জানি, এমন মাধবী রাত আসবে নাফিরে বার বার
শুধু সাক্ষী থাকুক, রাতের আকাশের চন্দ্র-গ্রহ-তারা,
বাগিচার সুরভিত জুঁই-কনক-চাঁপা আর সন্ধ্যা-মালতীরা।
সাজায়ে স্মৃতিবিজড়িত এক অনবদ্য মধুর অভিসার।