এখানেই চিচিং ফাঁকের শেষে আমাদের আশ্চর্য আটাশ অথবা হঠাৎ ঠোঁটের ছবকে অবাক ঊনত্রিশ; এখানে আসিনি এখনো অথচ এখানে দাঁড়িয়েই জেনেছি ফুসফুসের বৃত্তান্ত বারবার...
রোদের জিভের তলায় চিচিঙ্গের ফুল স্বচ্ছল- হেঁশেলের থেকে দূরে কী ভীষণ আপনজন ওরা! প্রচ্ছদ পেরোই, ভুলে যাই (ও অথবা যারা নিকটে এলেই ঘড়ির অ্যালার্ম)- এইসব অযাচিত কুসংস্কার...
এখানেই, বোতামঘরের কাছে থোকা আমি বঁধুয়া পৃষ্ঠা পেরোই; দেখি- অক্ষরের থালাবাটি, আণবিক চাবিকাঠি, অতিক্রান্ত যে সমস্ত কাঠগোলাপ... খুল্ যা সিমসিমের মতো অবশেষে আমার নিষণ্ণ এনভেলাপ; একপাশে রোজকার টেবিল চামচে মেপে নেয়া দুঃখবোধ, অনাকাঙ্খিত অবরোধ; অন্য বিপরীতে- বরাবর, বুক উপচানো শ্বেতাভ পেঁয়াজ ফুল...
আর ক্রমশ আমাদের নিয়ন্ত্রিত/ অনিয়ন্ত্রিত সর্বনামের মধ্যবর্তী পার্থক্য অথবা ঘনিষ্ঠতায় ভেসে যায় ডাকটিকিট- এক অগাধ ডানার পাখি- আশ্চর্য অ্যালবাট্রস!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।