কষ্টের কোন বর্ণ হয় না।
অনুভবের পেয়ালায় মিশে
নীল কালো লালে’র আড়ালে
এলোমেলো অনুভুতির সায়রে
কষ্টেরা হারায় তার অকপট সচ্ছতা।

তাই বুঝি কষ্ট দেখা যায় না।
যায় না মুঁছে ফেলাও।
সুপ্ত বীজের মতই রয়ে যায় অবিরাম।
ঠিক যেন নিরেট বোধের জমীনে
অকৃত্রিম জীবানুর অতল অবগাহন।

আমায় কষ্টে পড়া মানুষ বলো না।
বলো না তোমাদের আনন্দের কল্কীতে
একটু আশ্বাসের আস্বাদ নেব বলে
বুভুক্ষের মত জ্বালিয়ে মারছি অবিরত
যদিও আমার গলাতেও আকন্ঠ তৃষ্ণা।

তোমাদের এবরো-খেবরো মানচিত্রে
সজীব ভূমির জলছাপ নেই।
আকাশ চিড়ে ফুঁটতে দেখি
এক চিলতে নির্জিব নিহারিকা।
অথচ তোমরাই কিনা আনন্দে জোসনা মাখ।

কষ্টকে অন্ততঃ কষ্ট বলো না ।
বলো না সুখের অসুখ।
নির্জন প্রদীপের মলিন আলোয়
খোঁজ হাসি ঝরা সফেদ পথটুকু।
পথের শেষে যদিও পথ মেলে না।

এ ভাবেই লিখা হয় প্রতিনিয়ত
তোমার আমার সবার
হরেক কষ্ট বিণাশী গল্প
অসম্ভব সুখ পিয়াসী গান
কিংবা এমনতরো সুখ-দূঃখের কবিতা।