আমার স্বপ্নিল মায়াময় পৃথিবীতে
প্রকৃতির অমলিন জ্যোৎস্নার হোলি খেলা
বড় প্রিয় ওই প্রকৃতি।
কেবল উদাস বাতাসে চঞ্চল হরিণীর ন্যায়
নারকেলের চিকন পাতাটার চিকচিকে বরন
বড় বেহিসেবী এলোমেলো হ্রদকম্পন।
অপূর্ণতায় ভাটা পরে আছে
প্রিয়ার ঘোলাটে চাহনি ।
শেওলা জমা কালো পদ্মদীঘি যেন
এক চিলতে ফ্যাকাসে মুখ।
সবে শিউলী ফুলের গন্ধ পেলাম
উন্মুক্ত ছাদে কিংবা খোলা জানালা
দুটোরই সীমাবদ্ধতায় ভীষণ কষ্ট।
ছাদের রেলিং কিংবা জানালার গ্রিল
কপর্দকহীন নিষ্ঠুরতা সামাজিক শৃঙ্খলে।
শিউলী তলায় বিষধর গোখরো
নিশুতিরাতে পা রাখার জো নেই।
সকালের শিউলী, সে-তো ঝরা ফুল,
তাই দিয়ে মালা গাঁথা।
অতঃপর সান্ত্বনার আকাশে
মৌন যাত্রার পদধ্বনি, তুমি শুনতে কি পাও?
যা কেবল হ্রদয়ের কাছে হ্রদয়ের
স্মৃতির কাছে সময়ের, আর
জ্যোৎস্নার কাছে ঝিঁ ঝিঁ-র শব্দ
যেভাবে পৌঁছে যায়
অনন্ত কালের মহা যাত্রায়।