রাস্তার পাশে এখনও মানুষের সাথে কুকুর ঘুমায়,
নাকি কুকুরের সাথে মানুষ ঘুমায়-আমি বুঝি না।
ডাষ্টবিনের উচ্ছিষ্ট খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি করে,
মানুষ ও কুকুর।
এক সাগর রক্ত আর ত্রিশ লাখ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ,
স্বাধীনতার সাতচল্লিশ বয়সেও সভা সেমিনার ছাড়া স্বাধীনতার অর্থ আমি বুঝিনি।
স্মৃতিসৌধে সারাদিন শিয়াল-কুকুরের বিচরণ,
আর বছরে তিনদিন ফুলের মেলা।
সত্য বললে পুলিশের লাঠিপেটা, মিথ্যা বললে বুদ্ধিজিবী।
যাদের ট্যাক্সের টাকায় বেতনভুক্ত কর্মচারি-কর্মকর্তার আহার জুটে,
সেই কর্মচরিকেই স্যার সম্ভোধন করতে হয়!
জনসাধারনের ভোটে নির্বাচিত সেবক বনে যান শাসকে।
জলজ্যান্ত মুক্তিযোদ্ধাকে এক মুঠো ভাতের জন্য
ভিক্ষার থালা নিয়ে ঘুরতে হয় দ্বারে দ্বারে,
অথচ সেই লাশ মুক্তিযোদ্ধাকে দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় সন্মান !
দেহে নখের আঁচড়ে একফোটা রক্ত ঝরলে মামলা করা যায়,
আর হৃদয়ে রক্তের বন্যা বইলেও মামলা করার অধিকার নেই।
তবে কি পরাধীনতা’ই স্বাধীনতা ?
না, এ হতে পারে না ...
এর উত্তরণ একদিন হবে। হবে’ই।