একদিন এক গৃহে তুমি আর আমি ।
আমাকে আমার একটি প্রিয় খাবার
তুমি নিজ হাতে খাওয়ার আয়োজন করলে ।
দুধ ভাত দেশী শবরি কলা সাথে আম ।
আমি তোমার কোলে মাথা রেখে
খাচ্ছিলাম আমার প্রিয় খাবার ।
তুমি পরম মমতায় নলা তুলে দিচ্ছিলে...
তুমি বললে, কেমন লাগছে –...?
আমি কোনো উত্তর দেইনি ।
শুধু অপলক দৃষ্টিতে দেখছিলাম তোমাকে ।
হয়তো বুঝতে পেরেছিলে আমার আবেগ,
ফের আর জানতে চাওনি ।
হ্যাঁ, লবন বড্ড কম ছিলো
আমি সেই কথা বলতে পারিনি ।
হঠাৎ লবনের ঘাটতি পূরণ হলো ,
আবিস্কার হলো লবন রহস্যের ।
তোমার চোখে ছিলো জল ,
সেই জল পড়েছিলো আমার থালায় ।
চোখের জল যে লবনাক্ত সেদিন বুঝলাম ।
আরো বুঝলাম , নারীও এক সাগর –
লবনাক্ত জলের শ্রোতধারা ।
খুব ইচ্ছে হলো এই সাগরে সাঁতার কাটতে ...
তুমি বারণ করলে , যদি ভেসে যাই হারিয়ে যাই ...
আমি থেমে গেলাম ।
আবার তোমার আহ্বান- – দিলে সাঁতারের অনুমতি
আমি সেই নোনা সাগরে সাঁতার কাটলাম...
ভেসে যাইনি হারিয়েও যাইনি ।
কিন্তু , ভাসলাম পরে- তোমার হ্নদয়ের মরুভ’মিতে,
হারিয়ে গেলাম খড়ের মতো ...
এ কেমন নিষ্ঠুরতা করলে সুলক্ষী ... ?