আমি এক পাহাড়ের পাদদেশে মেঘ ছুঁয়ে বলছি,
সপ্ত আকাশ ভালোবাসা... যা পেয়েছি –
তা তোমার কাছে’ই ।
ঘৃণা, ভয়াবহ ঘৃণা... তাও পেয়েছি
সেই তোমার কাছে’ই ।
ভালোবাসায় পেয়েছি জোছনার আলো
কিন্তু, চাঁদের আলোয় তো আর ধান শুকানো যায় না
হয়তো এই জন্যে’ই পেলাম ঘৃণার আগুন ...
তোমাকে অঞ্জলি দেওয়ায় আমাকে করলে অপরাধী
বললে, অঞ্জলি শুধু ঈশ^রের প্রাপ্য ; মানুষ নয় ।
মাদার তেরেসার ভাষায় বলতে হয়-
” দৃশ্যমান মানুষকে যদি ভালোবাসতে না পারো,
তাহলে অদৃশ্য ঈশ^রকে ভালোবাসবে কিভাবে... ? ”
তুমি আমার অঞ্জলিকে করেছো প্রশ্নবিদ্ধ
... ক্ষমা করেও নিয়েছো তা কেঁড়ে
ভিক্ষুকের থালায় ভিক্ষা দিয়ে ফিরিয়ে নেওয়ার মতো।
আমার প্রতি এই অবিচারের জন্য একদিন,
বিবেকের কাঠগড়ায় তোমাকে দাঁড়াতে হবে। হবে’ই।
জেনে রাখো, সেদিন তুমি বুঝবে আমার প্রতি
কি নিষ্ঠুর ঘৃণার ক্ষেপণাস¿ ছুঁড়েছিলে ...
তুমি জে¦লেছো আগুন, আমি নিয়েছি আলো
যে আলোয় এখন ধান শুকানো যাবে
গহীন অন্ধকারে পথ দেখাবে
রাস্তায় শীতার্থ উলঙ্গ শিশুটিকে উষ্ণতা দেবে
শুধু অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকবে আমার ভেতরটা
ঠিক যেনো পিদিমের মতো...
আমি অদ্ভ’ত এক মুখোমুখি- – ভালোবাসা এবং ঘৃণার
শেষ পর্যন্তও আমাকে ঋণী করলে তুমি, উভয় মেরুতে’ই
অভিনন্দন হে সুলক্ষী- তোমার আলোকিত ঘৃণার জন্যে ...