আজ আকাশটা বড় মেঘলা।
আমার মোনটাও তেমন।
যে অজাচিত কষ্টের বীজ বপন করেছিলে তা আজ অংকুর দিচ্ছে।
সৃতির পাতা কষ্টের পতাকা হয়ে উড়তে চাইছে ভেতর থেকে।

ভালবাসা হচ্ছে একটা মায়া।
যখন এমন হয় তখন মায়াকে বলি,
হে মায়াবি জাল তুমি আমায় ছারো।
তুমি অন্য কাউকে ধরো।
গৃনা ভরে বলি, মায়া তুই আমার ছায়া ছার।
তুই নষ্বর।গৃন্য।অজাচিত।তুই নগন্য।
তুই জগন্য পাপের ধারা।
আমি তোকে থুতু ছেটাই।

তুই তাকে গিয়ে ধর।
যে আমায় সৃতির মায়ায় করছে ছার খার।
অথবা সেই বুকে যে বুকে আশ্রয় নিয়েছে এই আগুন।
তাকে জানিয়ে দে -যে হৃদয় এক বুক ভাঙ্গে,
সে তোমার বুকেও আগুন ধরাবে।
আস্তে আস্তে করে পুরে শেষ করে দিবে একদিন।

যে হৃদয় এক বুক ভাঙ্গে সে কি জানে,
আগুনের উশ্নতা কত?
কষ্টের গভিরতা কত?
ভাল লাগার অনুভুতি কত?
আমি সীমানা ছুতে চাইনি।
চাইনি অসম্ভবকে সম্ভব করতে।
তবে কেন এমন হয়?
কেন আমায় পিছু টানে?
ভাবছি ভালই আছো।
নিয়ে নতুন জীবন।
হয়তো আজ কেউ তোমার খুবই আপন।
তবে প্রশ্ন কর মন কি বলে?
কোন পিছু টান!
প্রশ্ন কর হারা জেতায় কে জয়ি?
ঠকিয়েছ কাকে?
উত্তর আসবে নিজেকেই।
এসব ভুলে জেতে চাই।
হ্যা, হ্যা, হ্যা, আমি ভুলে যেতে চাই।
তবু মায়া আমার ছায়া ছারে না।
আমি সেই পুরনো পাতা ছিরে, নতুন করে সাজাতে চাই
আমি এক সাগর গৃনা ছুরে দিয়ে নতুন জীবন চাই।
তবু কেন আমায় পিছু টানে?
তোমার সুখের সপ্ন ভঙ্গো হোক-
আমি তা চাই না।
না, আমি কোন অভিশাপ দেই না।
তোমার আমার উপর যে আকাশ বহুদূর আছে সে সব দেখে।
তারও কষ্ট আছে।
অতি কষ্টে কেদে ভাষায়।
আমরা তাকে বৃষ্টি বলি।
যখন কাদতে পারে না তখন মন খারাপ হয়
তাই আকাশে কালো মেঘ ঘনায়।
আমারও যে আকাশের মত মন খারাপ হয়।