পাগল করা প্রেমের কবিতাগুলো আপনাদের অন্তরকে মুহূর্তের মধ্যে রাঙিয়ে দেবে আর নিয়ে যাবে সেই স্বপ্নের রাজে যেখানে মানুষ বোধ হয়ে অপেক্ষা প্রিয় মানুষের জন্য, তার মুখে আমার কবিতা শোনার জন্য। পড়ুন আর প্রিয়জনকে শোনান, উপহার দিন। গল্প কবিতার সবাইকে ভালোবাসা দিবসের অফুরান শুভেচ্ছা। গা.সা.ই। ফুলপুর, ময়মনসিংহ।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৭ জানুয়ারী ১৯৬৫
গল্প/কবিতা: ৭টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - প্রেম (ফেব্রুয়ারী ২০২০)

একগুচ্ছ প্রেমের কবিতা
প্রেম

সংখ্যা

Gazi Saiful Islam

comment ৬  favorite ১  import_contacts ১০২
আকাশ তোমার ঠিকানা জানে না
মরমী শীতের বাতাস কি জানে?
আমি চিঠি লিখলাম সেই সুরে
যা বাজে ফাল্গুণে মৌমাছির গানে।
দুই.
কী সুন্দর স্বপ্নময় আজকের বিকেল
অথচ দু’হাতে তোমার ধুতরা ফুল।
কাকে দেবে সখী? কোন বোকা সখা
এ ভ্যালেন্টাইনে নিয়ে তা করবে ভুল?
তিন.
আমি যে প্রাণের বীণ বাজিয়েছি
একুশের সেই মরমীয়া গানে
বঙ্গের ললনা না করে ছলনা
হও সঙ্গিনী উজান-ভাটির টানে।
চার.
অন্তহীন ছন্দ এ শীতের মন্দ গীতে
কিংবা বন্দর কঁপানো এ রাত নীড়ে
কোথায় লুকোলে তুমি? বলেছিলে, দেখা হবে
প্রিয় কবি গাজী সাইফুলের ধলাইয়ের তীরে।
পাঁচ.
না, এখনো হাল ছাড়িনি, খুলিনি সে পাল
দূরের নক্ষত্র কিংবা জোনাকি জোছনার নদী
যদি মিশেও যায় দিকদিগন্তহীন আঁধার সাগরে
ওপারে দাঁড়িয়ে আমি ডাকবই তোমায় নিরবধি।
ছয়.
দেখো কী যে অসম্ভব মিষ্টি এই শব্দগুলো,
‘আমি তোমাকে ভালোবাসি, প্রিয়তম’
বড়ই গর্বিত আমি তোমার স্ত্রী হয়ে
বিবাহিত জীবনে স্বামীর আদর স্বর্গসুখ সম।
সাত.
ঝরণার শেষ হয় যখন মিশে নদীর সঙ্গে
নদীও হারায় গতি যখন মিশে সাগরের অঙ্গে
স্বর্গীয় উতল হাওয়া মিশে চিরদিন এ বঙ্গে
প্রিয়তম গতির অঙ্গে কতনা হাস্যরস রঙ্গে ।
আট.
তুলানরম মেঘ যেমন চুমো খায় আকাশকে
বাহারি গোলাপ যেমন চুমু খায় প্রজাপতিকে
ফোঁটা ফোঁটা শিশির যেমন চুমু খায় ঘাসকে
তেমনই প্রিয়তম তুমিও চুমু খেতে পারো আমাকে।
নয়.
অসংখ্য ফুলের সমারোহে তুমি আমার গোলাপ
ডায়ামন্ডের কারুকাজে তুমি আমার কোহিনূর
তারকাখচিত আকাশে তুমি আমার উর্বসী চাঁদ
তোমার জন্যই জগৎজুড়ে আমি পেতেছি ফাঁদ।
আমি মাত্র একটি শরীর তুমি তার হৃদয়
তাই তুমি ছাড়া এ দেহ পঁচা, ধরে ক্ষয়।
দশ.
একশো বছরের দীর্ঘ জীবনে যে জন কাঁদে না সুখে
কোনোই ভালোবাসার নিপীড়নে
তার মতো এমন হতভাগা কে
যাকে খায় হতাশা, কী প্রয়োজন তার জগতের বুকে ।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement