আষাঢ় যখন নিজেকে গুটিয়ে শ্রাবণ-ধারায় দু’পা বাড়িয়ে চলি’ছে ধীরে, আমি তখন একাকী অবসরে ব’সে মুখরিত সন্ধার বরষায় অবিরত প্রহর গুনি’ছি তোমার, যতন।
জীবনানন্দ পাশে আছে ঠাঁই নিশ্চুপ, একাকী আসবে তাই, খুলবে তার কবিতার প্রহর। নচী-গানে নীলা-অঞ্জণে বেলা গানয়ালা সুমনে দেয় অবহেলা, প্রার্থিত সবে পেতে তোমার খবর।
পরপারে যখন নীল মেঘরাশি ঘনতায় মেতে তার যেতেছে ভাসি, বিজলী চমক হানে হৃদয়ে তার অবিরাম ঝরে যাওয়া অক্ষত ক্ষয় ব্যথিত করে আমায়, ক্ষুধাময়; লগন যে যায় চলে তোমাকে পাবার।
প্রকৃতির সব ছবি কালোতে গ্রাস ক’রে নেয় ক্ষুধাতুর হতাস পিয়াস, এই ক্ষণে মন তার সীমানা হারায়’ পেতে চায় অসীমতা আলো মধুময়; জ্বলে দিয়ে আশাআলো কেড়ে নিয়ে ভয় ব’রে নাও আমাকে এই শ্রাবণ ধারায়।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।