লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২০ জুন ১৯৮৬
গল্প/কবিতা: ৪টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftমা (জুন ২০১৪)

সাধারণ মা
মা

সংখ্যা

এফ রহমান

comment ০  favorite ০  import_contacts ৫২৭
শ্রাবণ মাস। মুষল ধারে বৃষ্টি হচ্ছে। লঞ্চ ঘাটে যখন ফিরোজ নামলো তখনও একনাগাড়ে বৃষ্টি হয়ে চলেছে। লঞ্চ ঘাটের উল্টোপাশে সুন্দরবন। পৃথিবী বিখ্যাত সেই সুন্দরবন। বৃষ্টিতে ঝাপসা দেখাচ্ছে। গাছগুলো ঠাঁয় দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজছে। একটা পাখি বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে উড়ে গেলো গহীন বনের দিকে।

দেঁয়ালে টাঙানো ঘড়িতে চারটা বাজার শব্দ হলো। অফিসে বসে আছে, হাতে তেমন কাজ নেই। এমন সময় ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি নামলো। বৃষ্টির মনে হয় মানুষকে নস্টালজিক করে দেয়ার ক্ষমতা আছে। পুরোনো দিনের কথা মনে পড়ছে। তখন সে খুলনায় কলেজে পড়ে। এক দিন হঠাৎ করে তার বাড়ি যেতে ইচ্ছে হলো। ফিরোজের একটা সমস্যা হলো বাড়ির কথা মনে হলে সে কিছুতেই নিজেকে ধরে রাখতে পারে না। ঝটপট ব্যাগ গুছিয়ে রুমমেটকে বলল, ‘বাড়ি যাচ্ছি’।

লঞ্চ থেকে নামার পর বৃষ্টির বেগ বেড়ে গেলো। ঘাট থেকে বাড়ি দুই কিলোমিটারের মত দূর। ছাউনির ভিতর ঢুকলো সে। ভেতরে জনা চারেক লোকের সাথে মফিজ চাচা বসা, গ্রামসম্পর্কীয় চাচা। গল্পবাজ মানুষ। অল্প সময়ের মধ্যে সারা গাঁয়ের খবর জানা হয়ে গেলো।

বৃষ্টি কমে এলে জুতা খুলে হাতে নিয়ে দুজন বেরিয়ে পরলো। কাঁচারাস্তার পুরোটা কাঁদা হয়ে আছে। পা ফসকালে আছাড় খেতে হবে। গেটের বাল্লা পেরিয়ে কেয়ারের রাস্তা। ধারে কাছে বাড়িঘর নেই। আকাশের এই মাথা থেকে ওই মাথা আলো করে বিদ্যুৎ চমকালো। সাথে কান ফাঁটানো আওয়াজ। ধারে কাছে বাজ পড়েছে মনে হয়। ফিরোজ মনে মনে কলেমা পড়া শুরু করলো, লা ইলাহা...। বৃষ্টিটা ঝেপে আসায় দুজনে ভিজে চুপসে গেলো। গলা পানিতে ধানের চারা মাথা উচিয়ে ভেসে আছে। দোকানঘর পর্যন্ত আসার পর মফিজ কাকা বিদায় নিলো। সারা গ্রামে এই একখান মাত্র দোকান। মাঝরাস্তা তুলনায় সাইডের মাটি শক্ত, ফিরোজ সেদিক দিয়ে হাঁটছিলো। অসাবধানে গু পাড়িয়ে ফেললো। গা ঘিন ঘিন করে উঠলো। লোকজন যে কেন রাস্তার পাশে পোলাপাইন হাগতে বসায়!

বাড়ির উঠানে একরাশ কাঁদা। চালের নিচে দাঁড়িয়ে ফিরোজ ডাক দিলো, ‘মা, ও মা!’

মায়ের হাতে বৃষ্টির দিনে দুপুরের পরে তেমন কাজ থাকেনা। পশ্চিমের জানালার পাশে বসে কাঁথা সেলাই করছিলেন। ডাক শুনে মা কাঁথা ফেলে ছুটে এলেন। দাদীর ঘরের দিকে মুখ তুলে বললেন, ‘ওমা দেখ কিডা আইছে!’

চিরচেনা নীল পুঁতির তসবিখানা হাতে দাদীও বারান্দায় বেরিয়ে এলেন। মা তাকে বারান্দায় উঠতে বললো। সে জানালো একবারে গোছল করে আসবে। দাদি বারান্দায় বসে মিটিমিটি হাসছেন। ফিরোজ জিজ্ঞেস করলো, ‘হাসো কেন?’
‘তুই শহরেগে কিরাম করে কথা কতিছিস! গিরামের ভাষা কতি পারিস, না ভূলে গিছিস?’
‘ক্যান পারবো না। খুব কতি পারি। কিন্তু মা যে রাগ করে। শুদ্ধ ভাষায় কথা বলতে বলে’।
‘ধ্যুর নিজির ভাষায় কতা না কলি কি পরান ভরে। পরে কতা কবানে, এখন গা ধুয়ে আসো। ধাক্কুর করে আইসো ভাই। বেশি কালা লাগাইয়ে না, জ্বর আসতি পারে।’

বৃষ্টিতে ভিজে তার জ্বর আসবে কেন। এরকম বৃষ্টিতে ভিজে কত ফুটবল খেলেছে সে। ইট বাঁধানো ঘাট। সিমেন্টের পলেস্তরা উঠে গিয়ে ইট বেরিয়ে আছে। পুকুরের মাঝখানে মাগুর মাছে ঘোল দিয়ে গেলো। ফিরোজ পুকুরের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়লো। পুকুরের পানি বেশ গরম মনে হচ্ছে। হাত পা ছড়িয়ে অনেকক্ষণ সাঁতার কাটলো। মায়ের ডাকে সংবিত ফিরে পেলো, ‘খোকা এবার ওঠ। ঠান্ডা লাগিয়ে ফেলবি তো!’

কাঠের বাটের ছাতা মাথায় মা ঘাটে এসে দাঁড়িয়েছে। পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি বলে ছেলে পুকুরে সাঁতার কাটতে লেগেছে। মা তাকে ছোট বেলার মত জোঁকের ভয় দেখিয়ে পুকুর থেকে তোলার চেষ্টা করে। ফিরোজ হাসে। মায়ের কাছে মনে হয় সে এখনো সেই ছোট্টটি আছে। গরম ভাতের উপর ঘি ছড়িয়ে খেতে দিলেন। ফিরোজ খেতে বসলো।


খাওয়া শেষে মায়ের বিছানায় শুয়ে পড়লো। শীতশীত লাগছে। খানিকক্ষণ গড়িয়ে নেয়া যাক। ঠান্ডা লাগছিলো। ফিরোজ গুটিশুটি মেরে শুয়ে আছে। মা আলমারি থেকে নতুন কাঁথা বের করে ফিরোজের গাঁয়ে জড়িয়ে দিলেন। ফিরোজের শরীরের উত্তাপ মায়ের হাতে লাগলো। জ্বর আসার লক্ষন। মা এক বাটি সরিষার তেল গরম করে এনে ফিরোজের হাতে পায়ে মাথায় গলায় মাখাতে লাগলেন। রাত নয়টার তার দিকে ঘুম ভাংলো। জ্বর এসেছে। মা মাথার কাছে বসে ছিলেন। নড়তে দেখে কপালে হাত রাখলেন। হাতে জ্বরের উত্তাপ লাগলো। দুটো খেয়ে ফিরোজকে ঔষুধ খেতে বললেন। এই কাঁদাপানির ভেতর আব্বাকে পাঠিয়ে প্যারাসিটামল আনিয়েছেন। ফিরোজ উঠে বসতে গিয়ে দেখে মাথার ভেতর চক্কর দিচ্ছে। আষাঢ়-শ্রাবনে ঝুপ করে নামা বৃষ্টির মত জ্বরটা ঝেপে ধরেছে। খাটের গায়ে হেলান দিয়ে বসতে মা বালিশটা পিঠের নিচে দিয়ে দেওয়ায় বেশ আরাম বোধ হচ্ছে।

আব্বা ঘরে এসে বসলেন। ছেলে তার শহরে গিয়ে শহুরে হয়েছে বলে মজা করলেন। মা খাবার আনার পরে এক লোকমা ভাত মুখে দিতেই গা জড়িয়ে উঠলো। পুরো মুখ তেতো হয়ে আছে। খাবার থালা সরিয়ে রাখতেই মা উৎকন্ঠিত গলায় বললো, ‘থালা ঠেলতিছিস ক্যান, বাপ আমার এই কটা ভাত খায়ে নে’।

ফিরোজ খেতে পারছেনা বলায় মা ডিম ভেজে আনতে গেলেন। সে নিষেধ করলো। মা কি নিষেধ শোনা মানুষ! গরম তেলে ডিম ফেলার ছ্যাঁৎ করে শব্দ হলো। দাদী সন্ধ্যা হলেই দরজায় খিল দেন। বাদলা হাওয়া লেগে কাশির ধাত হয়েছে। থেকে থেকে খুক খুক করে কাশছেন। গোয়ালের গরু একবার হাম্বা বলে ডেকে চুপ হয়ে গেলো।

ডিম ভাজা দিয়েও খেতে কষ্ট হচ্ছে। মা এত কষ্ট করে ডিম ভেজে আনলেন। কোন মতে দুই মুঠো ভাত গিলে প্যারাসিটামল খেয়ে শুয়ে পড়লো। মা পাশে বসে মাথা টিপে দিতে লাগলেন। মাকে গিয়ে খেয়ে নিতে বলল। মা পরে খাবো বলে বসে রইলো।


সারারাত বৃষ্টি ঝরিয়ে ভোরে আকাশ থামলো। আব্বা নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় মায়ের কাছ থেকে ফিরোজের খবর নিলো। সারারাত ছেলের শিয়রে ঠাঁই বসে ছিলেন তিনি। এর মধ্যে কয়েকবার মাথায় পানি ঢালতে হয়েছে। দাদীর ঘুম অল্প। ফজরের নামাজ পড়ে এঘরে এলেন। মাকে বললেন, তোমরা বাপু এত অল্পে উতলা হও ক্যান। ছেলেমেয়ে মানুষ করতে গেলে ধৈর্য্য ধরতে হয়। দাদী বসার পর মা নামাজ পড়তে গেলেন।

খেঁজুর পাতার পাটিতে বসে দাদীজান বাটনা দিয়ে ঘটরঘটর শব্দতুলে পান ছেঁচছেন। বা চোয়ালের দুটো দুর্বল দাঁতের জন্য আজকাল আর সুপারি চিবিয়ে নরম করতে পারেন না। বাইরে চমৎকার রোদ উঠেছে। সোঁদা মাটির গন্ধ ভাসছে। আম্মার নিষেধ সত্বেও ফিরোজ দাদীর পাশে গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে। আম্মা রান্নাঘরে পায়েস রাঁধছেন। বাতাস তারই মিষ্টি সুবাস ছড়াচ্ছে। দাদীকে লবন চেখে দেখতে বলায় ফিরোজ কারণ জিজ্ঞেস করলো। দাদী গোপন কথা ফাঁস করে দিলো। ছেলের সুস্থতার জন্য মা রোজা রেখেছেন। সেহেরী খান নাই।

মায়ের মুখে ছেলের সামনে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে এমন একটা অভিব্যক্তি। লাজুক হেসে বললেন, ‘সেহেরি খাইছি। গুড় মুড়ি খাইছি’। ফিরোজ কি একটা বলতে যাচ্ছিলো। হঠাৎ চোখ ঝাপসা হয়ে এলো। সে কাঁথা টেনে মুখ ঢাকলো। দাদী শান্ত কন্ঠে বললেন, ‘ভাইরে যহন ছাওয়ালের বাপ হবি, তহন বুজতি পারবি ছাওয়াল মাইয়ের জন্যি বাপ মার কিরাম ঠ্যাকে’।

আব্বা পূববিলে ধানের অবস্থা দেখে ফিরলেন। সিঁড়ির পাশে কলসে রাখা পানিতে পা ধুয়ে বসে আম্মাকে পায়েস দিয়ে যেতে বললেন। দাদী তার জন্য পায়েস বাড়তে নিষেধ করলেন। ফিরোজ দাদীকে পান ফেলে কুলি করে আসতে বললো। দাদী বলল,‘গো খাওয়া মুখি খির খাতি ভাল্লাগবেনা ভাই’।

ফিরোজ আব্বার সাথে বসে পায়েস খাচ্ছে। আর পাশে বসে দুই মা তাদের দুই বয়সের দুই সন্তানের দিকে তাকিয়ে আছে। বড় প্রশান্তিময় সেই দৃষ্টি।

দুপুরে কৈ মাছ ভাজি সাথে টেংরা মাছ আর কাঁচকলার ঝোল দিয়ে ভাত খেয়ে ফিরোজ ঘুম দিলো। ঘুম ভাঙলো আছরের সময়। রোদের মরা তেজ। এরই মধ্যে টিপটিপ বৃষ্টি হচ্ছে। ছেলেবেলায় এরকম একসাথে রোদ আর বৃষ্টি হতে দেখলে মনের সমবয়সীদের সাথে সুর মেলাত, ‘রোদ হচ্ছে, বৃষ্টি হচ্ছে, খেঁকশিয়ালির বিয়ে হচ্ছে’। ফিরোজ দোকানঘরের দিক থেকে ঘুরে আসতে চাওয়ায় মায়ের গলায় অভিমান ফুঁটে উঠলো। কোথাও যেতে দেবেন না। সারাদিন রোজা রেখে এখন আবার খই ভাজতে বসবেন। ফিরোজ বাঁধা দেয়ার বৃথা চেষ্টা করে। মা যদি কোন কথা শোনে।

বড় একটা মাটির হাঁড়িতে বালি গরম হচ্ছে। বর্ষাকালে কাঠ গুলো কেমন স্যাঁতসেতে হয়ে যায়। ঠিকমতো জ্বলেনা। খুব ধোঁয়া হয়। খড়ের চাল ভেদ করে সাদা ধোয়া উড়ছে। বালি যথেষ্ট গরম হয়েছে। কিছু ধান হাঁড়িতে ছেড়ে দিয়ে দাদী নারিকেলের শলা দিয়ে নাড়াতে থাকেন। চটপট শব্দে ধান ফেটে খই হতে শুরু করেছে। দাদী হাঁড়িটা টুকনির উপর উপুড় করে দেয়া মাত্র মা টুকে বালি আর খই আলাদা করে ফেললো। দাদী বালিটা হাঁড়িতে ঢেলে দিয়ে আরেক বাটি ধান তুলে নিলো।

ফিরোজের সাথে দেখা করতে তার বাল্যবন্ধু ফরিদ এসেছে। মা দুই বন্ধুকে এক গামলা খই দিয়ে গেলেন। দাদী চোখে কম দেখেন। হলুদ দিতে গিয়ে মরিচের গুড়ো দিয়ে ফেলেন বলে পারতপক্ষে রান্নাঘরে ঢোকেন না। দাদীকে রান্নাঘরে দেখে ফরিদ টিপ্পনি কাটলো,’কি দাদী, আজ রান্নাঘরে ক্যান?’

দাদী হাতের কাজ অব্যহত রেখে বললো, ‘মানুষ আইজকাল সব পাখির মত হয়ে গেছে। ফুড়ুৎ ফুড়ুৎ করে উড়ে যায়। দুদিনের জন্য আসে। আবার চলে যায়। কত কিছু খাওয়াতে মন চায়। কিন্তু সময় কই? সবাই ব্যস্ত।’

দুদিনের জন্য বাড়ি এসে সাতদিন পেরিয়ে গেলো। মা এই কয়েকদিন সারাক্ষণ রান্না বান্না নিয়ে ব্যস্ত। এটা কোটে, ওটা বাটে। পারলে তো ছেলেকে এক বছরের খাওয়া এক দিনেই খাইয়ে দেয়। সামনে পরীক্ষা ফিরতে হবে। ফিরোজ ব্যাগ কাঁধে লঞ্চ ঘাটের পথে রওনা করলো। মা আর দাদী রাস্তা পর্যন্ত এলেন। আব্বা বললেন, ‘পৌঁছে চিঠি দিও’। দাদী মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘ভাই ছুটি পালি আবার বাড়ি চইলে আসপা। এবার তো হলো না। সামনের বার বাড়ি আলি পিঠে বানাবো।’

‘ভালোভাবে যেও...’ মা কথা শেষ করতে পারলেন না। উচ্ছস্বিত কান্নার বেগ সামাল দিতে চোখে আঁচল চাপা দিলেন। শৈশবে এই আঁচলই ছিলো ফিরোজের সব থেকে বড় নির্ভরতার স্থান। ফিরোজ হেঁটে চলে যাচ্ছে। মাটির দিকে তাকিয়ে সাবধানে পা ফেলতে হচ্ছে। রাস্তা ভরা থিকথিকে কাঁদা। ফিরোজের পেছন ফিরে তাকায় না। সে না তাকিয়েও জানে পেছনে দুটি চোখ তার দিকে অনিমেষ নয়নে তাকিয়ে আছে। যতক্ষন সে রাস্তার বাঁকে বিলীন হয়ে না যাচ্ছে ততক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবে। মাঝে মাঝে আঁচলে চোখ মুছবে।

মা দিবস এলে প্রতিবছর মাকে নিয়ে কাগজে, অনলাইনে অসাধারণ সব লেখা ছাপা হয়। গুগলে সার্চ দিয়ে সে মায়েদের অসাধারণ কোন কাহিনী খুঁজছিলো। মাকে নিয়ে কিছু লিখবে। নষ্টালজিক বৃষ্টি সেই কলেজ জীবনের কথা মনে করিয়ে দিলো। মায়ের মুখ মনে পড়লো। আমাদের ঘরে ঘরে আছে সাধারণ মা। এই সাধারণ মায়েরা যে আপন মমতায় কতটুকু অসাধারণ হয়ে আছেন তা একমাত্র সন্তানেরাই বুঝতে পারে। ফিরোজ লেখার আইডিয়া পেয়ে গেছে। ল্যাপটপ ওপেন করে নিলো। নিজেকে উত্তম পুরুষে রেখে লেখা শুরু করলো।

শ্রাবণ মাস। মুষল ধারে বৃষ্টি হচ্ছে...

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

    advertisement