কারো খেতে ইচ্ছে করে না, কেউ খেতে পায় না- এত বড় অসাম্য, মেনে নেয়া যায় না।
একই পৃথিবীর শিশু তারা, শুধু জন্মের অজুহাতে চলে প্রহসণ। কারো ঘর প্রাসাদ প্রতীম; কেউ গৃহহীন। কোন কোন জীবন পাখি ডাকা ভোরের মত, কোন কোন জীবন আছে এমন; তাকে মানুষের জীবন বলা যায় না। কি জঘন্য এই অসাম্য! আর মেনে নেয়া যায় না।
যারা ভাল নেই, যাদের ভাল থাকা সম্ভব না; এমন সকল বঞ্চিত মানুষের পক্ষ থেকে প্রতি নববর্ষে, নগরীতে নেমে আসে মৌন মিছিল- মানুষে-মানুষে জীবন যাপনের অসাম্য; আর মেনে নেয়া যায় না। যে সমাজে শ্রমীকের মজুরী সুখে থাকার মত না; সে সমাজ মানি না। এই নববর্ষে মানুষেরা আত্মপ্রত্যয়ী; সাম্যের বুননে হবে স্বপ্নময় পৃথিবী।
সুবিধাভোগীরা হুশিয়ার! তোমাদের এই রাষ্ট্র-গাড়ী যার ডাক নাম গণতন্ত্র, আসনটা তার রাজতন্ত্র, দারিদ্রতা এখানে অন্যতম পণ্য। তোমাদের দূণর্ীতি কখন কত স্পীডে চলে, সে খবর আমরা রাখি। তোমাদের লোভ, স্বার্থপরতা, নিবর্ুদ্ধিতা- সবকিছু একটু বেশী। তোমাদের বাসস্থান প্রয়োজনের থেকে বেশী, তোমাদের জীবন উপকরণ প্রয়োজনের থেকে বেশী, তোমাদের খাবার প্রয়োজনের থেকে বেশী। তোমরা জেনে রাখ- তোমাদের অতিরিক্ত খাবারে আছে, বঞ্চিত মানুষের খালি পেট, রক্ত, পূজ। অতিরিক্ত জীবন উপকরণে আছে, ঘৃণায় নিক্ষিপ্ত থু থু। আর তোমাদের অতিরিক্ত জায়গা, যেখানে তোমরা থাক না; সেখানে বঞ্চিতের পঁচা গলিত লাশ।
সর্বত্র অসাম্যের চাপা অভিমান। মানুষে মানুষে যদি থাকে এমন বিভেদ! কাকে ভরসা করে সে মনের কথা বলে, কাকে জড়িয়ে ধরে দুঃখ ভুলে। সভ্য পৃথিবীতে কত বড় অবিচার- মানুষের সন্তান না খেয়ে আছে, মানুষের সন্তান ধুলোয় পড়ে থাকে, এই সকল মৌলিক প্রশ্নে দেশ নেতারা বধির; আছে কি এমন মানুষ - মানুষের কথা শুনে। এই নববর্ষে আমরা আত্মপ্রত্যয়ী; বিশ্বাস করি সুদিন আসবে মানুষে মানুষে জীবন যাপনে সকল অসাম্যের অবসান হবে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মৃন্ময় মিজান N/A
একটি বক্তব্যও কাব্যময় হয়ে উঠতে পারে। আবার একটি কাব্যও বক্তব্যময় হয়ে যেতে পারে। শব্দের গাঁথুনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ এখানে। আরো ভাল ভাল কবিতা পাব আপনার কাছ থেকে সেই কামনা রইল।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“এপ্রিল ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।