একদিন সব ব্যাকুলতা এসে পুড়িয়ে যাবে আমাদের।
উৎসবমুখর পরিবেশে যেখানে তৈরি হয় খঞ্জর-
সেইসব কামারশালার বাতাসে লেপটে যাবে মৃগনাভি কস্তূরীর সৌরভ।
একদিন সব পাথুরে দোলনা থেকে হড়কে যাবে পা।
পাহাড়ের বুক চিড়ে বেরিয়ে আসবে এক চপলা নির্ঝরিণী।
তার নূপুর নিক্কনে বেজে উঠবে অশ্রুতপূর্ব ধ্রুপদ।
মস্তকে ধ্বংসের বীজ নিয়ে ছুটে আসা
তীর ছুঁতে ছুঁতেও পাশ কাটিয়ে হারিয়ে যাবে
অনন্ত নরকের ঠিকানায়।
সাদা ঘোড়ায় চেপে আসা এক সৌম্য পুরুষের অপেক্ষায় আছি,
তথাগত। তোমরা তাকে যে নামেই ডাকো।
তার হাতের তরবারী জাদুমন্ত্রের মত গোলাপের পাপড়ি হয়ে যাবে।
তার ঘোড়ার খুরে খুরে তৈরি হবে অফুরন্ত দুগ্ধ-নহর।
বোধিবৃক্ষের নীচে এই যে এলিয়ে আছি শরীর তাকে
কেউ দুর্বলতা ভেবোনা।
তোমাদের বিভাজিত প্রতিটা উপত্যকায় সমাধিস্থ হবে লোভ আর স্বার্থবোধের মমি।
সমস্ত বিভাজন থেকে সে আমাদের ভিজিয়ে দেবে একই আলোর উৎসবে।
একই ঐশ্বরিক উষ্ণতায়।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
জাফর পাঠাণ
অভিনন্দন ও ভালোবাসা রইল । আর ঢাকা এসে মিষ্টি না খাওয়ালে খবর আছে !!!! পুরো এক কেজি খাবো । ভয় নেই দু/একটি তোমাকে দেবো । ওকে, ভালো থেকে নিরবধি ।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।