আমায় কি তুই দিতে পারিস, একমুঠো রোদ?
কিংবা ঘন বাদলধারার একটা ফোঁটা জল?
ঠোঁটের কোণে একটু হাসি দিতে পারিস?
শুষে নিয়ে চোখের যত অশ্রু টলমল।
চুপকরে কেন বলনারে তুই, দিবি আমায় সুখ?
অন্ধকারে জ্বলবে আলো, হাজার জোনাক মুখ।
আরও আছে চাওয়ার বাকি, একে একে চাইতে থাকি...
দেখিস ভেবে পারিস কিনা, দিতে আমায় ছোট্ট একটা নদী,
পালতোলা সব ডিঙ্গি যেথায় ভাসবে নিরবধি।
আমার একটা পাহাড়ও চাই,আর একটা চাই দ্বীপ,
পারবি দিতে এনে আমায় ছোট্ট রঙ্গিন টিপ?
খোঁপায় গুঁজে দিবি আমার বেলী ফুলের মালা?
জলদি করে বলদেখি সব,এখন আমার শোনার পালা...
রোদ-বৃষ্টি,পাহাড়-নদী এসব দেয়ার সাধ্য আমার নেই।
এত কিছু চাইতে পারিস কেবল স্বপ্নতেই।
তোকে দিবো উষ্ণ আদর, নরম বুকের ওম,
সকালবেলার পাখি হয়ে ভাঙাব তোর ঘুম।
চেয়েছিলি ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি?
ভাসিয়ে দিবো খুশির স্রোতে, স্বপ্ন রাশি রাশি।
হাজার জোনাক পেয়েই জাবি,খোঁপার মালা তাও,
লাল টিপেতে ভরিয়ে দিবো ছোট্ট কপাল টাও।
তোকে দিবো পাহাড় সমান ভালবাসার ঘর,
শুনবি আরও কি কি দিবো? শুনবি কি তারপর?
ইশশ্!! মিথ্যুক, শুনবো না যা,
মিথ্যে বলার তুইতো রাজা।
ছাই দিবি তুই,বেশ তো জানি,
তোর রাজত্বে কত্ত রাণী!!
আমায় কেন দিতে যাবি? আমি কে তোর হই?
সামান্য এক বন্ধু ছাড়া আরতো কিছু নই।
ধুর!! বোকা তুই পেঁচামুখী, বুঝিস নাতো কিছু,
মিছেমিছি কখন থেকে লেগেই আছিস পিছু!
‘বন্ধু’ যে হয় তার কাছে কি চাইতে আছে এত?
‘বন্ধু’ জানে মনের কথা,চাওয়া-পাওয়া যত।
সারা জীবন থাকবো পাশে, আর কি চাই তোর বল?
জীবন দিবো উজার করে...এখন বাড়ি চল!