বই হাতে পাঠশালায় যেতাম আমি আর নির্মল । ছোটখাট নির্মলের সাথে লম্বা আমি না পারতাম পড়াশোনায়, না পারতাম খেলাধুলায় । সে যখন পাঁচ একে পাঁচ,পাঁচ দু গুনে দশ পড়ছে আমি কেবল এক একে এক , দুই একে দুই । আমার বইগুলি যখন চারিদিকে অবিন্যস্ত, নির্মলের তখন বইয়ের জন্য অনশন । যুদ্ধে যেদিন তাদের বাড়ি লুট হল আমাদের বাড়িতে তখন উৎসবের আমেজ । যুদ্ধশেষে নির্মলের নিখোঁজ বাবার সন্ধান আর মিললনা । অনেক নাম না জানা শহীদের ভিড়ে তার নামটিও হারিয়ে গেল । আর আমার বাবা হলেন চেয়ারম্যান । সেই থেকে শুরু ব্যবধান । সেই থেকে শুরু নির্মলের জীবন যুদ্ধ । পড়ালেখার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন ।
শত ব্যস্ততার মাঝে এখনো মায়ের হাতের পিঠে খাওয়ার লোভে প্রতি শীতে যখন গ্রামে যাই , নির্মলের এক পাল ছোট ছেলে মেয়ের লোভাতুর দৃষ্টি আমাদের আঙ্গিনায় । শীত বস্ত্রে আচ্ছাদিত আমার দুই সন্তান তাদের কাছে রুপকথার রাজকন্যা ।
কতবার নির্মলের সাথে কুস্তি লড়ে ঘর্মাক্ত হয়েছি , হয়েছি লজ্জিতও । কিন্তু প্রতি শীতে নিজের পরিচয়ের লজ্জা নতুন করে আমাকে বিক্ষত করে ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Md. Mostafizur Rahman
এস, এম, ফজলুল হাসান @ একবারেই সময় দিতে পারছি না গ.ক. তে ল অল্ল্প কিছু কথায় নিজের কিছু অনুভুতি কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছি l মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ.
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।