ক্ষুধিত জন-
ক্ষুধার যাতনায় ভুলে আত্মার সম্বোধন-
আহা!
ভাল কিবা মন্দ
জানা নেই: বুভুক্ষু উদরের কাছে নত সর্ব মহত্ত্ব-
মানুষ বলে, ওই দেখ বেটা বদমাশের ধাড়ি
চুরিও জানে না-আস্ত একটা গর্ধভের চেলা
চুরি করেছে কী- ত্যক্ত একখানা অখাদ্য রুটি
খেতে পারে নি এটুকু: খেয়েছে দোকানি বেটার মার যত-
বেদম প্রহার!
লাথি চড়!
অর্ধচন্দ্র
অতটুকু আহারের তরে কতটুকু লাঞ্ছিত জন!
অত্যাচারিত নৃগণ: দীনদৈন্য-বাতুল যারা-
আমার আপন
আমি ভাই বলি: বন্ধু বলি-
আমার আত্মার আত্নীয় সব;
প্রার্থনা করি, একদিন হোক ওই প্রাসাদের মালিক-
তখন?
হাঁ তখন- তখন তুমি সেই প্রাসাদের চাকর;
আফসোস!
ভাগ্যবিম্বনে-
চাপরাশি তুমি সেদিন: হবে ভিখারি,
দ্বারে দ্বারে ফিরি: একমুঠো চাই- খাবে লাথিঝাঁটা
ক্ষুধাতুর দেহে রবে না স্বস্তি
তবে-
তবে বুঝবে তুমি ক্ষুধাযন্ত্রণা কী!
বিধির তুলাদণ্ড বরাবর-
'যে যত করে সে তত ভরে'
আজ যারা নিপীড়িত, মজলুম, ক্ষুধার্ত
কাল তারা বাদশা: শাহিতক্তের মালিক-
ভুলে কেন যাও হে লোভিষ্ঠধাতা!
উৎপীড়কবিধাতা!