ক্ষুধার
জন্য খাদ্য
জন্ম-মৃতু্য-ক্ষুধা
স্বতঃসিদ্ধ সত্য ধারা
জন্ম ও মৃতু্য স্রষ্টার কাছে
খাদ্য বন্দী কতক ধনীর হাতে
শঠের গেঁড়াকলে সরল নিঃস্ব ভবে
ক্ষুধার জ্বালায় মরছে মানুষ ধুঁকে ধুঁকে
অবুঝ শিশুরা টানছে বোঝা খাদ্যের আশে
নব জাতক গুনচটে অসহায় মা পাথর ভাঙ্গে
বড় লোকের ঘরে ঘরে গতর খাটে ছোট্ট মেয়ে
লক্ষ টোকাই ফুটপাতে করুণ চোখে দু'হাত পাতে
শিশু-শ্রম আজ ঘরে ঘরে ভারী কাজ নেয় কাঁধে তুলে
কাক ককুর-মানুষ একেই সাথে ডাষ্টবিনে অন্ন খোঁজে
ভুখা অবয়ব মানব কঙ্কাল বৃদ্ধি পাচ্ছে আজ বিশ্ব জুড়ে
ইথিওপিয়া সহ অনেক দেশে চলছে মরক খাদ্যাভাবে

প্রাচুর্যে যার জীবন গড়া বুঝবে না সে ক্ষুধার জ্বালা
উচ্চ ডিগ্রী চকমকে কলম ধনী ঘরের আদরের দুলাল
লিখতে পারে না কভু ঐ ক্ষুধাতুর মানুষের মর্মবেদন
সেই বুঝবে জ্বালা নুন আনতে যাদের পান্তা ফুরায়
হয়ত একদিন রবে না ভবে কোন খাদ্যের অভাব
ধনীরা পরাস্ত হবে গরিব পাবে বাঁচার অধিকার
ক্ষুধার জন্য হবে না কঙ্কাল মরিবে না লোক
সেদিন কবিতা পড়ে পাঠক হবেন অবাক
খোদা তব দরবারে প্রার্থনা হাজার বার
ত্বরায় আসুক ধরায় সেই শুভদিন
কবিত্ব কল্পনা হউক চির অমর
কবুল কর মিনতি আমার
অনাহারে মৃত মানুষের
আত্মার সৌজন্যে
এ কবিতার
মিনার!