মাঝে মাঝে খুবই মনে পড়েরে তোকে কেমন জানি চিন চিন ব্যাথা হয় বুকে । এলোমেলো হয়ে চারপাশে ঘোরে স্মৃতিগুলি সেই মিলেমিশে ছিলাম আমি পিনু, শিমু, মোনা, পলি আর তুই ঘন্টার পর ঘন্টা কেটেছে আমাদের ... তোরই বাসায় আড্ডাবাজি আর হাসিতে ফেটে পড়েছি কথায় কথায় হ্যা, বন্ধু.. তোর বাসাটিই ছিল আমাদের সবার সংযোগস্থল যে কোন অনুষ্ঠানের দিনগুলোতে হাজির হতাম সব বন্ধুদের দল । একসাথে সবাই অনুষ্ঠানে যাওয়ার চলত প্রস্তুতি শাড়িপড়া আর সাজুগুজু নিয়ে চলত কত খুনসুঁটি । তোর বাসা থেকে না খেয়ে ফিরে আসতে পারিনি কোনদিন কিভাবে ভুলব বল, তোর দেয়া এতশত ঋণ । চাচা-চাচীও করতেন আদর ভীষন কথাগুলো মনে হলেই লাগে জানি কেমন । এভাবে কেটেছিল আমাদের বন্ধুত্ব আর কলেজ জীবন একদিন হঠাৎ করেই ঠিক হয়ে গেলো তোর বিয়ের ক্ষন । বিয়ে হয়ে গেলে পরে তুই চলে গেলি লন্ডনে বলেছিলাম বন্ধু মাঝে খোজ খবর নিস..রাখিছ মনে । সময় গেছে সময়ের পথে..কেটে গেছে একটি বছর শুনেছি বেশ ছিলি... আনন্দেই কেটেছে তোর প্রতিটি প্রহর । একদিন শুনি তোর অবস্থা সিরিয়াস তুই নাকি হাসপাতালে ভর্তি কেন হল এরকম, কি হল.. মুহুর্তে মুহুর্তে খবর শুনার ছিল আর্তি । ক্ষনে ক্ষনে খবর নিয়েছি... করেছি কত দোয়া আল্লাহ যেন ভাল করে দেন তোকে....সব খবরকে করে দিয়ে ভূয়া । না, ভাল হওয়ার কোন লক্ষনই নাই...খবরটা পাই গিয়ে তোকে নাকি বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে । না, ফিরে আসতে পারিছনি তুই বেঁচে শেষপর্যন্ত হেরে গেলি তুই মৃত্যুর কাছে । কেমন একটা কষ্ট বুকে বিধঁল... ধাক্কা লাগল খবরটা পেয়ে হ্যা, দেশে আসবি! আসলি তো আসলি শেষ পযর্ন্ত লাশ হয়ে । এখন অপেক্ষা শুধু একবার তোর মুখখানা দেখার লাশ আসছে লাশ আসছে বলে ধ্বনি উঠল সবার । অনেক কষ্ট বুকে নিয়ে শেষবারের মত তোর মুখখানা দেখি কি সুন্দর লাগছেরে তোকে এক ফলকে চেয়ে থাকি । কেন, আমাদেরকে রেখে চলে গেলিরে শিফা? জানি তো এসবই আল্লাহর ইচ্ছা আর আল্লাহর কৃপা । দোয়া করি বন্ধু আল্লাহ যেন তোকে বেহেশত নসীব করেন তোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করি, সুখে শান্তিতে যেন আল্লাহ তোকে রাখেন ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।