হেমন্তের কথাই উঠে এসেছে এই লেখায়। আগের মত এখন হেমন্তে তেমন পিঠা উৎসব হয় না। এ আক্ষেপ থেকেই যাবে মনে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ আগস্ট ১৯৭৭
গল্প/কবিতা: ১০৫টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - নবান্ন (অক্টোবর ২০১৯)

হেমন্ত বন্দনা
নবান্ন

সংখ্যা

এই মেঘ এই রোদ্দুর

comment ২  favorite ০  import_contacts ৩৩
এই হেমন্তের মিষ্টি হাওয়ায়, জীবন উঠে জেগে
রোদের উত্তাপ তপ্ত গরম, গেছে সবই ভেগে।
সোনালী খাম শীতের চিঠি, আনলো ঐ হেমন্ত;
পাকা ধানের গন্ধ নিতে, মানে না এ মনতো!

শিশির ভেজা দূর্বাঘাসে, ঝলমালানি আলো
এই হেমন্ত ছুঁয়ে দিলে, লাগে বড় ভালো।
সোনা রঙা ধানের শিষে, হাওয়া তুলে লহর;
সুখের তরে দুলে উঠে , কৃষকের মন শহর।

চারিদিকে মৌ মৌ করে , পাকা ধানের ঘ্রাণে,
কী যে সুখের উচ্ছ্বাস জাগে, সবার মনে প্রাণে,
হেমন্ত ঠিক নিয়ে আসে, রূপের বরণডালা;
রাত নিশিতে শিশির ভেজায়, বাড়ির টিনের চালা।

কিচিরমিচির চড়ুই শালিক, বকের সারি ক্ষেতে
হেমন্ত দিন আসলে সুখে, মন উঠে যে মেতে,
ধানের মাড়াই মেশিনে হয়, গরু দেখে হাসে;
ছেলেবেলার ঐ হেমন্ত, স্মৃতি হয়ে ভাসে।

সেদ্ধ ধানের গন্ধ মাখা, রূপ হেমন্তের বেলা,
সোনার ধানে বসতো রোজই, প্রজাপতির মেলা,
গোবর লেপা পরিপাটি, খলায় ধানের পাহাড়
হেমন্ত যে ছড়ায় গাঁয়ে, সোনা রঙের বাহার।

নতুন ধানের উৎসব হবে, দাওয়াত ঘরে ঘরে
হাসি খুশি সুখ সাজানো, গাঁয়ে থরে থরে।
ছয়টি ঋতুর দেশটি আমার, ভরা রূপ ও রঙে
সবুজ শ্যামল ছায়ার মায়া, শুধু আমার বঙ্গে।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement