নির্দ্বিধায় কিছু চেয়োনা,
একটু দ্বিধাগ্রস্থ হও নর
অধিকারগুলো সন্তর্পণে তুলে রেখেছি বুকের বাম পাজরে
অধিকার চেয়ে নেয়ার আগেই খুঁচিয়ে পরখ করে নিব
একবার ঠকেছি, হাজারবার ঠকব না।
কাছে থেকেও দুরত্ব বজায় রাখ,
ছুঁয়ো না ক্রোধানলে পুড়ে যাবে।
বুঝি খুব বুঝি, তোমরা বড্ড ধৈর্য্যহীন
চোখেই খেয়ে ফেলো আধেক নারী।
পাঁচ বছর বয়সী মেয়েটির চোখে তাকাও নি?
কি ছিল সে চোখ জোড়ায়?
কামনার আগুন দেখেছিলে?
নাকি পিতৃস্নেহ মাখা ছিল চোখে?
ঝাপিয়ে পড়ার আগে ভাবনি একবার, তুমি পুরুষ
নারীর অর্ধাঙ্গ, মায়ের ছেলে, বোনের ভাই?
তোমাদের অন্তর্গূঢ় অভীষ্টগুলো এত নিচ ক্যান?
রিপু সংবরণে ব্যর্থ নর, অবশেষে হও উন্মার্গগামী।
ক্রুর হাসি মুখে সাধু সাজার ব্যর্থ প্রয়াস,
দর্পনে চোখ রেখে দেখো, হায়েনাসদৃশ মুখচ্ছবি
চুতরার প্রলেপ বসিয়ে দিতে ইচ্ছে জাগে
চুলবুলানি খুব বেড়ে যায় তোমাদের, তাই না?
এক পাল্লাতেই তাই মেপে রাখি, সমান সমান
ঊনিশ কুঁড়ি তোমাদের বেলা হয় না
কেমন মেপে চলা জীবন তোমাদের!!
ভালবাসার নাটক বন্ধ তবে,
মোকাবেলা হোক ধৈর্য্যের এবার...
এবং দ্বিধা রেখো মনে,
চাইতে গিয়ে হোঁচট খেয়ো না।
অতঃপর আমাদের অস্পর্শ্য ভালবাসা অমরতা লাভ করুক