বেহায়া বাতাস নিয়ে গেল উড়িয়ে নিরলস সময়
আলস্য ভর করেছে মনে - চারপাশে ক্রুর অয়োময়
ভোরের আলোয় হাঁটা সময়ে তব চোখে অযস্র ঘুম
বেঘোর আচ্ছন্নতায় হামেশা আলস্য চোখে দেয় চুম।

নিউরনে কে পেটাচ্ছে যেনো হাম্বরের আঘাতে আঘাতে
টুকরো টুকরো ব্যথা ঝরছে হঠাৎ ভাবনার ব্যাঘাতে
মানিয়ে চলা জীবন অবশেষে ঘূনে ধরা হালফিল
কি জানি কেনো পাইনা খুঁজে আর জীবনের তালমিল।

পালে বাতাস লাগিয়ে উড়ি- মনে নাও ভাসে শত শত
কত ঋদ্ধ ছিল ভাবনারা অতীতে - হৃদ গভীরে ক্ষত
উস্তন-ফুস্তন যাচ্ছে জীবন-ভুলেছি দোয়েল সময়
সহসা চুম্বকে টানে খঞ্জন ক্ষণে ভাবনারা তন্ময়।

হৃদয় জমি ক্রমেই হতে লাগছে জলহীন ঊষর
চৈত্রের খরায় জমি চৌচির - সময় হয়না দোসর!
কেউ থাকেনা আপন হয়ে জীবনের শোকমগ্ন ঘরে
অথচ সাজানো ছিল কোটি স্বপ্ন হেথায় থরে-বিথরে!

অলীক সে বল্গাঘোড়া উড়েছিল আকাশে আমায় নিয়ে
আনচান মন মোর স্বপ্ন কে-বা নিলো সহসা ছিনিয়ে!
অলস মস্তিস্ক খুঁজে ফিরে অতীতের চঞ্চলতা সেই
চেপে ধরে টুঁটি পিছু ফিরে দেখি সময়, হারাই খেই!

উত্তাল বাতাসে কত স্বপ্ন খেতো লুটোপুটি দূর্বাঘাসে
উড়িয়ে নিয়ে আসল ভবিষ্য জীবনে বেহাগ বাতাসে!
হালফিলে আচম্বিতে আলস্যতা চলে আসে নানা ঢঙে
ভাবি বসে সময়ের ওপাড়ে কাটিয়েছি কতই রঙ্গে!

আলস্য নিয়েছে কেড়ে ভোরের হাওয়া,নৈমিত্তিক কর্ম
অন্তর ফুঁড়ে ব্যথার বাঁশি বাজে- বুকে বসায় পাথর বর্ম
মিথ্যার বেসাতি বসে চারপাশে সদা মিথ্যের মহড়া
হায়! মেয়েবেলা সুখ,উচ্ছ্বাস মুহুর্ত হলেম বিহড়া!