দশ মানুষের কাছে দশ পালকের গল্প শুনি
ধড়ফড় নির্জনে গোলমেলে লাগে সব
কানে বাজে দশ রকম লয়ের
একরকম সুর।

এক জোড়া চোখে দুই রকম দ্বিধা
একজন মানুষ চোখে একজনই মানুষ
কয়রকম মানুষ?

ভীষণ সোমত্ত হয়ে ওঠে সিগারেট
জীবনের কি তাড়াহুড়ো- কি উথালিপাথালি
ভালোবাসাও শিকল এসো তোমার
অতৃপ্তি নিয়ে
আহ্বানের এই শ্লাঘাটুকু হৃদয়ে স্বর্ণচাঁপা
অবলীলায় দু’রাত অবহেলায় দু’রাত
দিয়ে দেই ঝড়-বৃষ্টিকে।

অরণ্যের নিঃশ্বাস এসে পড়ে বুকের তৃণে
আমি পাশ ফিরে শুই মৃদু হাস্যে
স্বপ্নের বুদ্বুদে ঝিঁঝিঁ
ঝরে ঝরে
স্বপ্ন বাজায় মনে-
“মৃত প্রজাপতি ঘুমের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত ;
আড়মোড়া ভাঙি এলো চুলে
মনে পড়ে মনে পড়ে
তোমার গর্ব-ভাঙা শিকলে।”

আমার
ভাসা ভাসা ভাষা
আমার
আশায় আশায় আশা
এইসব তুচ্ছতার মাঝেও
পচা-গলা সময় কেউ গোছ-গাছ করে
কারো জমে কৃতঘ্নতার মিছিল বুকের পথে
কবির জীবনও একসময় যায় এসে
ভাববাচ্যের পৃথিবীতে......

অতঃপর অরণ্যের নিঃশ্বাসে বুঝি সুগন্ধি শিথান
গহীনে এক বাজিকর ঘুম বাঁওড়ে
ঠোঁটে আটকে থাকা তার হাসি মুদ্রা
ছুড়ে মারে রাত কড়িকাঠ ফুড়ে
তুমি তার কোন পাশ চাইবে আমি জানি
জানি তোমার ভাঙা শিকলের টুকরোর তৃপ্তি
শুধু- ভোরের অনঙ্গ ক্ষণে লুটায়
ঘুম কবিতার শেষ লাইন এর চিকচিকে সুখ-
“মেয়ে মৃত প্রজাপতি কখনোই উড়ে না।”