এ শব্দের পর শব্দগুলো যে হাত দিয়ে লিখছি
সে হাত জানে, চোখে লুকানো থাকেনা কোনো দীপ
আধারে; এ ছটফটানি এক কিশোরীর কষ্ট
বেলা শেষের চাঁদটা যার কপালের সাদা টিপ।

যন্ত্রণায় থরথর করে কাঁপা যায় যেন গা চিত্য
চাপা বোধ দুর্বোধ্যে শেষমেশ আছড়ে খুলি ফাটাতে চায়
পুনর্জন্ম আর কর্মফলের ব্যাখ্যায় আমি লাথি মারি
কণ্ঠার ঘৃণা জানাই মানুষ¬¬-মানুষীর জান্তব পুতুল খেলায়।

জাগেনি কখনো সাধ এ বোধ ফেরী করবার
মেয়ে তুই কাঁদিসনা,তুই-ও একদিন মা হবি
পাপীরা দুঃখবিলাস করুক,তবু মাতৃত্বের গল্পে ওরা নেই
ওদের নীল দেয়াল থাকে,থাকে ফ্রেম শুধু থাকেনা ছবি।



এ শব্দের পর শব্দ-নয় বোঝাতে অশ্রু বা গোঙানি
তবে কি লিখছি,কিছু কি লিখছি এই হাতে?
বুকের শুক পাখি জানে,আমার ভালোবাসার কসম
ভালোবাসার সাধ জাগে ব্যথায়,রাতে আর প্রভাতে।

পেটে ধরবার ব্যথা,তীক্ষ্ণ কাতরানি কারে কয় জানবোনা
মেয়ে তুই জানবি,কান্নায় দিবি দুধ কখনো ভাত-রুটি
জানিস বিনিময়ে শিরার লাল-নীল সব রক্তের ফোটা তোর
কাঁদিসনা পাগলি,মা কখনোই বানায়না পুতুল খেলার ঘুঁটি।

সাত আসমানের বিষাদ লিখবো বলেতো নয় কলম ধরা
ক্লান্তিতে হাত ঘড়ি থেমে যায় তবু বুক পোড়ে,পুড়ুক
না খোদা অভিযোগ নয়,নয় প্রশ্নের ভাষায় কেন
অধম আমরা তোমার আশ্বাস,‘নিশ্চয়ই দুঃখের সাথেই আছে সুখ’।

তারপর সুখের খোঁজে ছেনেছুঁয়ে এপিঠ-ওপিঠ দুঃখ দেখি
মেয়ে জানি,বুকের ঘরে রাখবার আগেই বদলে যায় জানা-অজানা
তবু বিশ্বাসের চোখে বিকেলের চাঁদ তোর কপালের সাদা টিপ
আর আমার কবিতারা জানে আমি কতদিন ঘুমাইনা........