লাইফ ফর আভা

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ (মে ২০২৬)

মেহেদী মারুফ
  • ১৪
  • 0
  • ৭৭
১.
--"মে আই কামিং স্যার?"
চশমাটা হালকা নামিয়ে দেখলাম আভা ক্লাসরুমের দরজায় দাড়িয়ে আছে। প্রতিদিনই লেট করা মেয়েটার একটা স্বভাব। মাঝে মাঝে শাস্তি হিসেবে বাইরেই দাড় করিয়ে রাখি। আজ আর মন চাইলে না। ইশারা দিয়ে ভেতরে ঢুকতে বললাম। মেয়েটা চুপচাপ একটা কর্ণারে গিয়ে বসে পড়লো।

আমি আশিক! লন্ডনের UCL- এ Global Conflict and Peace Studies বিষয়ে শিক্ষকতা করছি। ছয়মাস হলো এখানে জয়েন করেছি। পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারলেও খাবারের ব্যাপারটা এখনও বেমানান রয়ে গেছে।

ক্লাস টাইম শেষ হওয়ার এলার্ম বেজে উঠলো। আমিও স্টুডেন্টদেরকে বিদায় জানিয়ে বের হয়ে আসলাম। পেছন থেকে দেখলাম আভা দৌড়াতে দৌড়াতে আমাকে ডাকছে, "স্যার শুনুন প্লিজ।" আমি থেমে দাড়ালে ও আমার সামনে এলো।
--"সরি স্যার। আর লেইট হবে না।"
--"এটা তো তোমার প্রতিদিনই হয়।"
--"প্রমিস স্যার। এই যে আমার গত সপ্তাহের এসাইনমেন্ট।"
--"এটাও লেইট??"
--"সরি স্যার।"
এসাইনমেন্টের কভারের ওপরে বড় করে লেখা "Ava Jonsphin"। ওর বাবার নাম Adam Jonsphin! তার সাথে এর আগে দু'বার কথা হয়েছে। উনি মেলেটারিতে আছেন। আভার পড়াশোনার ব্যাপারে উনি আমাকে বলেছিলেন৷ মেয়েটা অমনোযোগী, ফাঁকিবাজ। আমি আভাকে যেতে বললাম। ও বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে কি যেন ভাবলো, এরপর চলে গেলো।


২.
অফিসরুমে বসে আভার এসাইনমেন্ট চেক করছি। মি. জোসেফ এসে সামনাসামনি বসলেন। একই সাবজেক্টের সিনিয়র শিক্ষক। আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে বললেন, " গভমেন্ট নোটিশ দিয়েছে জানেন তো?"
--"কোন ব্যাপারে?"
--"ইউরোপের বাইরের নাগরিকদেরকে ১৫ দিনের মধ্যে ইউরোপ ছাড়তে হবে। নইলে সরকারি ভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
কথা শুনে আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। এটা কেমন হেয়ালি? মন চাইলো আর নোটিশ মেরে দিলো। তাও আবার ১৫ দিনের মধ্যে ইউরোপ ত্যাগ!! আমি জোসেফকে প্রশ্ন করলাম, "নোটিশটা কোথায় দেখলেন?"
--"গতকাল আমার একটা মেইল এসেছিলো। আর আজকে ভার্সিটির নোটিশ বোর্ডেও দিয়েছে। চাইলে দেখে আসতে পারেন।" আমি আর দেখার প্রয়োজন বোধ করলাম না। আস্তে করে ভার্সিটি থেকে বেরিয়ে সোজা বাসায় ঢুকলাম। মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেছে। হাত-মুখ ধুয়ে নিয়ে শুয়ে পড়লাম। বারবার মনে হতে লাগলো, "গভমেন্ট থেকে কেন এই নোটিশ জারি করলো? কি সমস্যা?"
এসব ভাবতে ভাবতে কখন যেন ঘুমিয়ে গেছি টের পাইনি।


৩.
পরদিন ভাইস চ্যান্সেলর আমাকে তার অফিসে ডেকে পাঠালো। তখন আমি ব্যাপারটা আন্দাজ করতে পারছিলাম, উনি ফাইনালি আমাকে ইউরোপ ছাড়তে বলবেন! কি আর করা! আমাকে উনি ঠান্ডা মাথায় বললেন, "দেখুন, ইউরোপের পরিস্থিতি খুব একটা ভালো না। কখন কি হয় বলা যায় না।"

--"স্যার, তাই বলে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দেবে? অন্তত একমাস সময় দিতে পারতো!"
--"আপনার ব্যাপারটা আমি বুঝতে পারছি। আমাদের ভার্সিটিতে আপনি ব্যতীত আরও একজন বাংলাদেশী, ৬ জন ভারতীয়, আর ৩ জন আমেরিকার আছে। তাদেরকেও এই ১৫ দিনের ভেতরে ইউরোপ ছাড়তে হচ্ছে। গভমেন্টের আদেশ। আমাদের দায়িত্ব শুধু জানিয়ে দেওয়া।"
আমি ভাইস চ্যান্সেলরের অফিস থেকে বের হয়ে এলাম।

বাইরে আভা দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখে এগিয়ে এসে বললো, "এখন কি করবেন স্যার?"
--"কি করবো মানে?"
--"আমি সবই জানি। বাবা বলেছে। ইউরোপের বাইরের লোকদের ইউরোপ ছাড়তে বলেছে গভমেন্ট।"
--"ভাবছি কি করবো।"
--"আপনি একটা কাজ করতে পারেন। এখানকার কাউকে বিয়ে করে সিটিজেনশিপ নিয়ে নিন। সবচেয়ে সহজ আর শর্টকাট পদ্ধতি।"
--"আমার বিপদে ফাজলামি করছো। বাই দ্য ওয়ে, পড়াশোনাটা ঠিকঠাক করবা। আর তোমার বাবার সাথে আমি আজকে একটু দেখা করতে চাই। তাকে কথাটা বলবা।"


৪.
মি. এডাম আমাকে ডিনারে ইনভাইট করলেন। টেবিলে বসে তিনি আমাকে বললেন, "ইউরোপের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। এশিয়া এবং আমেরিকার সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। এমতাবস্থায় বাইরের নাগরিকদের এখানে অবস্থান করাটা নিরাপদ বলে মনে করছে না গভমেন্ট।"
--"তাই বলে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে?"
--"অবস্থা আরও খারাপ হলে হয়তো এই সময়টুকু পাবেন না। পরে বাইরের কোন নাগরিক এখানে মারা গেলে গভমেন্ট দায়ভার নেবে না।"
--"আমার ব্যক্তিগত কিছু ব্যাপারে পনেরো দিনের মধ্যে ইউরোপ ছাড়া সম্ভব হবে না।"
--"সেটা একান্তই আপনার নিজস্ব ব্যাপার। তবে বাইরের নাগরিক যারা এই পনেরো দিন পরেও ইউরোপে অবস্থান করবে। তাদের তথ্য আমাকে গভমেন্টের কাছে দিতে হবে।"
পাশ থেকে আভা বলে উঠলো, "বাবা, তুমি স্যারের তথ্য দিও না প্লিজ। স্যার অনেক ভালো একটা মানুষ।"
আমি এতক্ষণে আভার দিকে তাকালাম। ওর চোখে পানি টলমল করছে। এই মুহুর্তে মেয়েটার প্রতি বেশ মায়ায় পড়ে গেলাম।

আলাদা একটা অনুভূতি হচ্ছিলো ওর জন্য। কিন্তু সেই অনুভূতিতে ছেদ পড়লো ওর বাবার কথায়, "ও তুমি বুঝবে না আভা। এটা আন্তর্জাতিক ব্যাপার।"
আমিও মি. এডামকে জানালাম, "ঠিক আছে, আমি চেষ্টা করবো।"


৫.
পরদিন আভা আমাকে ফোন করলো।
--"হ্যালো স্যার। একটা ব্যাপার জানতে আপনাকে ফোন করলাম।"
--"হ্যা বলো আভা।"
--"আপনি কেন ইউরোপ ছাড়তে পারছেন না। বলবেন আমাকে?"
--"ওটা তুমি বুঝবে না।"
--"স্যার, আমার এক ফ্রেন্ডের বড় ভাই এয়ার ফোর্সে আছে। আপনি রাজি থাকলে আমি কথা বলে আপনাকে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারি। অন্তত আপনি নিরাপদে দেশে ফিরে যান।"
--"আভা, আমার সমস্যা এইটা না।"
--"তাহলে কি সমস্যা বলেন স্যার? গতকাল বাবা বললো শুনলেন না? বাইরের কোন নাগরিক যদি এখানে মারা যায়..!"
আভার কথায় পুনরায় আমার চিন্তায় ছেদ পড়লো। আভা টেলিফোনের ওপাশ থেকে কাঁদছে!
--"কি হলো আভা?" ওপাশ থেকে ওর ফুঁপিয়ে ওঠার শব্দ স্পষ্ট।
কিছুক্ষণ পরে লাইনটা কেটে গেলো।

আমি আমার প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র গুছিয়ে বের হয়ে গেলাম৷ ক্যাম্পের একটা লোকেশন আমাকে মেইল করে পাঠানো হয়েছে। আমি সেটা ফলো করতে করতে যাচ্ছি। ঘন্টা দেড় পরে পাহাড়ি এলাকায় এসে পৌঁছালাম। ক্যাম্পটা খুঁজে নিতে একটু বেগ পেতে হলো।

ওখানে ঢোকা মাত্রই বেশ কয়েকজন পরিচিতের সাথে দেখা। যারা ইউরোপে বিভিন্ন ছদ্মপেশায় ঢুকেছে। অথচ সবাই এশিয়ান গোয়েন্দা ইন্টেলিজেন্সের সদস্য।
আমার পরিচয়টাও গোপনীয়। Global Conflict and Peace Studies সম্পর্কে আমার ধারণা অনেক ভালো থাকায় এই বিষয়ে লেকচারার হওয়ার সাহসটা করেছিলাম।


৬.
দেখতে দেখতে ১৫ দিনের সময়সীমা শেষ হয়ে গেলো। ইউরোপের ভেতরে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। চারিদিকে লকডাউন। আমার আর অল্প কিছু তথ্য সংগ্রহ বাকি আছে। যে তথ্য তথ্য সংগ্রহের জন্যই শিক্ষকের ছদ্মবেশ নিয়ে ইউরোপে ঢোকা। অনেক স্টুডেন্ট আমার ভক্ত হয়ে গেছে এতদিনে, বিশেষ করে আভা। ও আমাকে খুব খেয়াল করে, সেটা আমি বেশ ভালোভাবে বুঝতে পারি।

আমাদের ইনটেলিজেন্স টিমের অনেক সদস্য চলে গেছে ইউরোপ ছেড়ে। বাকি আছি আমি সহ আর দুইজন।
সবসময় লুকিয়ে চলাফেরা করতে হয়। বাকি যে তথ্যটা আছে, এটা শেষ করতে পারলেই পালিয়ে ইউরোপ থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। নয়তো মৃত্যু!

কাজটা আমার জন্য মোটেও সহজ ছিলো না। কিন্তু এখন—
এটা অসম্ভবের কাছাকাছি। হয়তো মৃত্যু অবধারিত!
আমার শেষ মিশনটা হলো- ইউরোপের মিসাইল সেন্টারে গিয়ে তাদের আপডেট এশিয়াতে পাঠানো। আমি সেন্টার থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছি। জানি না কি হবে!

আমার পরনে আভার বাবা এডামের মেলেটারি পোশাক। আমি আভার থেকে গতকাল গোপনে নিয়েছি। এবং আমার মিশনের সবটাই আভাকে বলেছি। ও আমাকে সাহায্য করবে বলে আশ্বস্ত করেছে।


৭.
আমি মি. এডাম জোসফিনের পরিচয় নিয়ে মিসাইল সেন্টারে ঢুকে পড়েছি। বেশ কয়েকজন সদস্য আমাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করছে। কিন্তু কিছু বলছে না। একজন তো এগিয়ে এসেই বলে বসলো, "হাই মি. জোসেফিন। কি অবস্থা আপনার?" আমি শুধু "হ্যাঁ ঠিকঠাক" বলে সরে চলে আসলাম। এর মধ্যে আবার সেন্টারের এপাশ থেকে ওপাশ পর্যন্ত একটানা হেটে বের হয়ে গেলাম।

লোকটি আমাকে ফলো করতে শুরু করেছে। হয়তো বা বুঝে ফেলেছে আমি এডাম নই। আমি অন্য কেউ। আমি আরেকটা চোখ ঘুরিয়ে দেখে নিলাম, সে পেছনেই আসছে।

সেই মুহুর্তে কোত্থেকে আভা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো, "বাবা দ্রুত বাসায় চলো। মা ভীষণ অসুস্থ!"
আমিও আভার কথায় সায় দিয়ে, "হ্যাঁ চলো" বলে ওর সাথে চলে আসলাম। আমি আভার উপস্থিত বুদ্ধি দেখে সত্যিই অবাক হয়ে গেলাম। আভাকে জিজ্ঞাসা করলাম, "তুমি কি ভেবে এটা বললে?"
--"লোকটার ফলো করার ধরণ দেখে বুঝতে পেরেছিলাম। কোন একটা সমস্যা আছে। আর তাই আপনাকে দ্রুত সরিয়ে নিতে এটা বলতে হলো।"
--"আমার সবকিছু জানার পরেও তুমি কেন আমাকে সাহায্য করছো আভা?"

--"কারণ আমি আপনাকে ভালোবাসি। সেটা আপনি মানেন বা না! আর তার জন্য প্রয়োজন হলে আমি আমার জীবন দিয়ে হলেও আপনাকে সাহায্য করে যাবো।"
আভার এই কথাগুলো আমার বুকের ঠিক গভীর জায়গাটায় গিয়ে লাগলো। মানুষ এমনও ভালোবাসতে পারে।


৮.
আমি আমার শেষ সংগ্রহ করা তথ্যগুলো এশিয়াতে পাঠিয়ে দিয়েছি। এর মধ্যে ইউরোপ বেশ কয়েকটা এট্যাক করেছে এশিয়াতে। এদিকে এশিয়া থেকে পালটা এট্যাক করেছে।

তবে আমেরিকার কোন তথ্য এই সময়ে জানা যাচ্ছে না। ইউরোপের বেশিরভাগ মিসাইলে এশিয়ার লোগো দেওয়া। অর্থাৎ, ইউরোপ এগুলো দিয়ে আমেরিকায় এট্যাক দেবে। যাতে এশিয়ার ওপর আমেরিকার ক্ষোভ তীব্র হয়।

আমার এবার ইউরোপ থেকে বেরিয়ে যাবার পালা। আমাদের ৩ জন গোয়েন্দা সদস্যদের জন্য এই পরিস্থিতির মধ্যেও জেট বিমান পাঠাবে এশিয়া থেকে।

কিন্তু আমার মনটা কেন যেন ইউরোপের একটা কোণায় পড়ে আছে। যেতে একদমই ইচ্ছে করছে না। আমি চাচ্ছিলাম কোনভাবে আমার যাওয়াটা ক্যান্সেল হয়ে যাক। আমি আভার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা শুরু করলাম। ওদের ল্যান্ড নম্বরটা বন্ধ পাচ্ছি। আমি সন্ধ্যায় লুকিয়ে ওদের বাড়ির কাছাকাছি চেষ্টা করছি ওর কোন খবর পাওয়া যায় কিনা।

হঠাৎ আভার চিৎকার দিয়ে কান্নার শব্দ শুনতে পেলাম। আভা ওর রুমের ভেতরে কান্নাকাটি করছে। আমি ধীর পায়ে এগিয়ে গেলাম ওর জানালার কাছে। জানালায় টোকা দিতেই ও "কে?" বলে কান্না থামিয়ে দিলো। আমাকে দেখামাত্রই আভার চেহারায় মুহুর্তেই হাসির ঝলকানি।


৯.
অনেক কষ্টে ওকে ওর বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে এলাম। টার্গেট একটাই, ওকে আমার নিজের দেশে নিয়ে যাবো। বিয়ে করে সুন্দর একটা সংসার সাজাবো। আজকের সময়টা কোনভাবে পার করতে পারলে কালকের বিমানেই চলে যেতে পারবো।

আভাকে নিয়ে ক্যাম্পে আসতেই দেখলাম আমাদের টিমের বাকি দুইজন সদস্যকে মেরে ফেলে রাখা হয়েছে। এই অবস্থা দেখে আভা আমাকে জাপটে ধরে কান্না শুরু করলো। আমাকে বললো, "তুমি আমার জন্য জীবনটা হারিয়ো না। তুমি পালিয়ে যাও।"
--"না, আমি আর তোমাকে রেখে কোথাও যাবো না। তোমাকেও আমি ভালোবাসি। তোমাকে আমার দেশে নিয়ে যাবো।"
--"প্লিজ পাগলামি করো না। তুমি পালিয়ে যাও..!" ঠিক ওই মুহুর্তে শর্টগানের শব্দ হলো দুইবার। এরপরেই আভা মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।

আমি চিৎকার দিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরলাম, কিন্তু ও বারবার আমাকে পালিয়ে যেতে অনুরোধ করলো। শেষ পর্যন্ত ওর কথা রাখতে ওর হাত ছাড়তে বাধ্য হলাম আমি।

পালিয়েও কোন লাভ হয়নি। খুব বেশি দূরে যেতে পারিনি। তার আগেই আর্মিদের হাতে ধরা পড়ে গেলাম। এরপরে আমাকে মৃত্যুদন্ডের জন্য রাখা হলো। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, ইউরোপ এশিয়দের কাছে পরাজিত হওয়ার কারণে সব বন্দিদেরকে মুক্তি দিয়ে দিলো।

এই ঘটনার ৫৫ বছর পর।
বেলকনির একপাশে বসে চেয়ারে হেলান দিয়ে একটা বই পড়ছি। বইটার নাম "লাইফ ফর আভা"। আর এই বইটা আমাকে নিয়েই লেখা। ওই দিন আভা না থাকলে শর্টগান থেকে ছোড়া বুলেট দুইটা আমার বুকেই বিদ্ধ হতো।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
mdmasum mia দারুন গল্প ।
Suraiya Yasmin শেষের দিকটা পড়ে আবেগে আপ্লূত হয়ে গেলাম। সুন্দর গল্প..!
ফয়জুল মহী শব্দ চয়ন বিন্যাশ ও উপস্থাপন অসাধারন । কবির দীর্ঘায়ূ ও সুস্থ জীবন কাম্য ।
ধন্যবাদ কবি ফয়জুল ভাই। আপনার উপস্থিতি আমাকে অনুপ্রাণিত করে।
মোঃ মাইদুল সরকার দারুন একটা যুদ্ধ গল্প পড়লাম। সত্যি সুন্দর হয়েছেন।
ধন্যবাদ মাইদুল ভাই। আপনার সুক্ষ্ণ বিচক্ষণ মিস করলাম। হয়তো বা সময়ের অভাবে লিখতে পারনি। তবে গল্পটা পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ..!
সাইদ খোকন নাজিরী খুব সুন্দর।
ধন্যবাদ!! আবার আসবেন ভাই। অর্থাৎ পুনরায় আপনার উপস্থিতি চাই..!
মাহাবুব হাসান ইমোশনাল গল্প। সিনেম্যাটিক! একটা পয়েন্টে আপনার আর আমার গল্পে মিল আছে, ওইটুকু পড়তে পড়তে অবাক হচ্ছিলাম যে মিলে গেল কীভাবে!
আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে, গল্প পড়ে কমেন্ট করার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আপনার গল্পটাও বেশ জমিয়েছেন! ধন্যবাদ ভাই।
সাদিয়া আক্তার রিমি Heart Touching Story
প্রথম পাঠক/পাঠিকা হিসেবে আমার গল্প পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!! এই সংখ্যায় আপনার লেখা মিস করেছি। আগামী সংখ্যার লেখা আগে থেকেই প্রস্তুত রাখবেন।
ইনশাআল্লাহ। আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করব। বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা / উপর নির্ভরশীল।

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

গল্পটা ইউরোপিয়ান একটা মেয়ে আভাকে নিয়ে লেখা। যে বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেও নিজের জীবন বাজি রেখে একজনকে বাঁচিয়েছিলো। যাকে সে অনেক ভালোবেসেছিলো।

১১ মে - ২০২৫ গল্প/কবিতা: ১৬ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "বাবা”
কবিতার বিষয় "বাবা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মে,২০২৬