স্বাধীনতা কোথায় আছে?
বইয়ের পাতায়, পতাকার রঙে,
মাইক্রোফোনের গর্জনে,
বড় করে সভ্যতার ভাষণে।
কিন্তু বাস্তবে কোথায়?
ক্ষমতাবানদের নীরব নির্দেশে
ছোটদের স্বপ্ন গুটিয়ে যায়,
মুঠো ভরে অধিকার কেড়ে নেয়
নিজের প্রয়োজনে সব করে তারা।
বড়দের হাসি যখন উজ্জ্বল,
ছোটদের কণ্ঠ তখন স্তব্ধ—
আইনের নামে, শৃঙ্খলার নামে,
ভয় দেখিয়ে বেঁধে ফেলা হয় ডানা
খুন গুম ব্যক্তি, পরিবার কিংবা
দেশ নিমিষে শেষ করে দেয় বেহায়ারা।
স্বাধীনতা এক সোনালি শব্দ,
দূর থেকে দীপ্ত, কাছে এলে শূন্য—
যেন আকাশের চাঁদ,
দেখা যায়, ছোঁয়া যায় না।
তিলে তিলে করে সকল স্বপ্ন আশা
অধিকার, ভেঙে দেয়, জোর করে।
ক্ষমতার টেবিলে মানচিত্র বদলায়,
সিদ্ধান্ত হয় কাচের ঘরে;
আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ
শুধু শোনে—“তোমরা স্বাধীন।”
যদি স্বাধীনতা সত্যি হতো,
তবে কেন কথা বললে ভয়?
কেন সত্য উচ্চারণে শাস্তি?
কেন নীরবতাই নিরাপদ?
আমি বিদ্রোহী, তাই আমি মানি না—
স্বাধীনতা পুরো মিথ্যা নয়,
সে বন্দি আছে,
লোহার দরজার ওপারে অপেক্ষমান।
তখন আমাকে বলা হয় -“দেশদ্রোহী”
মামলা, হামলা সবি করা আমার ওপর।
যেদিন ছোটদের কণ্ঠ হবে বজ্র,
যেদিন প্রশ্ন হবে অপরাধ নয়,
সেদিন হয়তো
স্বাধীনতা মুখোশ খুলে বলবে—
“আমি ছিলাম,
তোমরাই আমায় জাগাওনি।”
কিন্তু বাস্তবতার চিত্র ভিন্ন
বিশ্বে, দেশে, সমাজে, এলাকায়
স্তরে স্তরে পরাধীনতার দখলে
ক্ষমতাবানদের প্রয়োজনে হয় ছিন্ন
বাস্তবে স্বাধীনতা বলে কিছু নেই
যা আছে, তা দরজার ওপারে অপেক্ষমান।
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
কিন্তু বাস্তবতার চিত্র ভিন্ন
বিশ্বে, দেশে, সমাজে, এলাকায়
স্তরে স্তরে পরাধীনতার দখলে
ক্ষমতাবানদের প্রয়োজনে হয় ছিন্ন
বাস্তবে স্বাধীনতা বলে কিছু নেই
যা আছে, তা দরজার ওপারে অপেক্ষমান।
২২ জুলাই - ২০২৩
গল্প/কবিতা:
৩৯ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মার্চ,২০২৬