দিনের আলো নিভে গিয়ে, ধরায় সন্ধা, সন্ধা পেরিয়েই অন্ধকার, নিশ্চুপ চারপাশ, সবাই ঘুমিয়ে গিয়েছে,রাত অনেক গভির, সবকিছু নিরবতা। আজ নেই নীল আকাশে চাঁদনী রাত, আমাবস্যায় ঢেকে গেছে মিটি মিটি তাঁরা, চাঁদের গায়ে লেগে আছে কালো মেঘ, চোখের পাতায় ঘুম নেই, আমি বসে একলা,জানালায় দুচোখ যেদিকে যায় ঘন আঁধার জোৎসনা হারিয়ে গেছে দিগন্তের দিকে। আমি বসে একলা, রাত যখন গভির হতে থাকে, কারো নয়ন ভরে উঠে ভারি , কেটে যায় নিরবে একেলা।
সবাই যখন ক্লান্ত ঘুমে, আলোর মশাল নিয়ে ছুটে চলেছে রাতের প্রহরী, শহরে, গঞ্জে, পথে ঘাটে নিরব ভূমিকা। কারো এই আঁধার যেন শেষ হয় না,কেঁদে কেঁদে কেটে জায় রাত। কারো বুকে ব্যাথা থাকে চাপা হয় না বলা। রাতের প্রহরী জানালায় একে একে দেয় উঁকি, অন্ধকার জীবনে একটু খানি আলোর ঝলকানি। একাকি রাতের সাথী, ফিরে পেল একটুখানি স্বস্তি । অনেকখন পরে একটা দীর্ঘশ্বাস। রাতের প্রহরী কেন মশাল নিয়ে এলি মোর ঘরে, আমিতো ভেবেছিলাম, থাকবো নিরবে নির্জলে, কইবো কথা আমার সনে, কেন এই অবোলার প্রাণে,দিয়ে গেলি আলো, আমি তো অন্ধকার কে ভালোবেসেছি। রাতের প্রহরী সবাই তোর মতো এতো নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোবাসে না। নেই তোর ক্লান্ত, নেই ঘুম,তবুও দিয়ে যাও আলো।
তোর মতো যদি সবাই নিঃস্বার্থ হতো পৃথিবীটা কতোই ভালো হতো, মানুষ দিনের আলোয় কতো না খুন,হত্যা,হতো না নরো পশু, চলতো না অহরহ ঘুস, সকলের মুখে থাকতে সুধু হাসি আর হাসি। কেটে গেল একটি জোনাকি রাত বলা হলো, অনেক কথা, আছো যতো মনের ব্যাথা, আমি বসে জানালায় একেলা,,,,,,,