নিস্তব্দ রাত!
ঘড়ির টিক টিক শব্দ।
জানালাটা খোলা; পুরো ঘর আলোকিত জ্যোৎস্নার আলোয়।
কতো খ্যাতিমান কবিরা অঙ্গন করেছেন তাঁদের কবিতায়;
জ্যোৎস্না, বৃষ্টিস্নাত প্রেমের বাতায়ন !
আমি তো প্রেমহীন প্রেমিক আর স্বামী।
অজান্তেই আমার হাতের স্পর্শ লেগেছে;
আমার ঘুমন্ত মিষ্টি বৌয়ের গায়ে; ঘুম ভেঙ্গে গেল তার।
ঠোঁটে একচিলতে হাসি-
জ্যোৎস্নার আলোয় আরো বেশি মিষ্টি লাগছে তাকে।
ভাবছিলাম অবাক হয়ে আমার সামান্য স্পর্শ তাঁকে এতো উৎফুল্ল করে!
আমার হাতটি ধরে বললো “এই চলো না ছাদে গিয়ে জ্যোৎস্না দেখি”
মনে মনে বিরক্ত তবু মুগ্ধতায় তাকিয়ে ছিলাম তার পানে!
কি যে হলো হঠাৎ জ্যোৎস্না ঢেকে গেল মেঘে।
তারপরেই ঝুমবৃষ্টি!
পাগলী বৌ আমার বৃষ্টিতে ভিজছে।
চুলগুলো তার ভেজা; ফোঁটা ফোঁটা জলকণা পড়ছিল তারই হস্তে!
কেন জানি আজ ইচ্ছে করেই বৃষ্টিতে গিয়ে;
জড়িয়ে ধরলাম পাগলি আর শিশুসুলভ বৌটাকে !
সিক্ত হলাম দুজন প্রেম আর বৃষ্টিধারায় !