নরকের নীড়

স্বাধীনতা (মার্চ ২০২০)

ASHEK MAHMUD
  • ২০২
একদা স্বর্গ ছিল সুশীতল কাশ্মীর
এ যে আর স্বর্গ নয়, যেন নরকের নীড়
এখানে জনতা অদ্ভুত খাঁচায় বন্দীশিবির
হিংস্র শশক শার্দূলে ঘেরা চারদিকে চৌচির।
কোথায় ডাললেক! কোথায় গুলমার্গ! কোথায় পেহেলগাম!
সে-ই রূপবতী কাশ্মীর হাঁকে মুক্তির পয়গাম।
চেরী ফলমূল, টিউলিপ ফুল, আপেল আর জাফরান
কোথায় হারালো পুষ্পের ঘ্রাণ, পাখিডাকা কলতান,
কোথায় হারালো কুলকুল ধ্বনি, সুরভিত আহবান!
চারিদিকে শুনি আজাদী ধ্বনি দুর্বার কোলাহলে
দানব যখনি দাবানল জ্বালে তখনি জঠর জ্বলে
তখনি শুনি রোনাজারি ধ্বনি আমরা নিরব বলে
অথচ তাদের কণ্ঠনালী বিঁধিল বুলেট নলে।
স্বাধীনতা যে এতই দামী, কেউ কি দেখেছে ভালে
যারাই বলিছে শান্তিবাহক! তারাই দানব পালে।
জ্ঞান-বিজ্ঞানে বিস্মিত মোরা নিত্য দস্তচুমি
অথচ সোনালী-স্বর্গভূমি আজিকে বধ্যভূমি।
আজিকে যারা শান্তির দূত, শান্তি সংঘ বানায়
তারাই চালায় বড় সন্ত্রাস, তারাই আগুন জ্বালায়।
গণতন্ত্র-রাজতন্ত্র একসুরে গান গায়
রক্তে জমিন লাল করিলে সোনার পদক পায়
এদের মুখে মিষ্টি কথা রক্ত মাখা হাত
জঙ্গী করে 'জঙ্গী' দমন! দিনকে করে রাত।
হায় ইয়েমেন! হায় কাশ্মীর! হায়রে ফিলিস্তিন
হায়েনা ভরা এই দুনিয়ায় শান্তি বিমলিন।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ফয়জুল মহী অনন্যসুলভ উপস্থাপন , পাঠে মুগ্ধ।

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

যুগে যুগে নিপীড়িত মানুষদের আত্মদান ও ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে হয়েছে। যা একদা স্বর্গীয় ভূমি ছিল তাও আজ নরকে পরিনত হয়েছে অত্যাচারীদের দাপটের কষাঘাতে। সেই নরক থেকে মুক্তি পেতে কত লাখো লাখো মানুষদের জীবন দিতে হয়েছে, ইজ্জত হারাতে হয়েছে। সেই ত্যাগের ধারনা থেকে লেখা এই কবিতা 'নরকের নীড়'।

২১ ডিসেম্বর - ২০১৯ গল্প/কবিতা: ৩ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

বিজ্ঞপ্তি

“এপ্রিল ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী