শিশুকালে গিয়েছে ভেংগে ছোট্ট এই মন- প্রাণ
পাইনি কভু সুখের আভাস, পেয়েছি দুঃখের ঘ্রাণ।
বাবা- মা হারানোর কিযে ব্যখা সেই তো শুধু জানে
যায় কেটে যায় দিবস- রজনী আহাজারী, রোনাজারীর টানে।
এতিম বলে হয়না যে ঠাই সহোপাঠীদের কাছে
শত যাতনা করেছে লুকোচুরি ভাংগা হৃদয় মাঝে।
বই খাতা নেই, নেইতো কলম শিক্ষার স্বপ্ন দেখি
দূর ব্যোমের সেতারা, হেলাল, পুষ্প- পঙ্খির তছবির আঁকি।
পরিপার্শ্বে ঘনসিয়া যেন রয়েছে ঘিরে হায়!
দিয়েছে উড়াল সুখ পাখিটা, দুখ পাখি ডাকে আয়রে আয়।
দেয়না সাড়া নিদ দুটি লোচনে জেগে রই প্রতিক্ষণ
তনু জুড়ে সদা দিয়ে যায় দোলা খেদের সমীরন।
জীবন যেন একটা রংধনু, বদলায় রং বারে বার
মর্সিয়ার চাঁদর জড়িয়ে কাঁয়া ভাংগা মন্টা আমার।
শত প্রতিতিই বাড়িয়েছি পাণি হওতো প্রেমিকের কাছে
দু’আঁখিতে অশ্রু ছাড়া উপহার পাবার কি আছে ?
বিয়ের কথা ভাবতে গেলেই নিরাশ হয়ে যায় মন
যৌতুকের খরতাপে যাচ্ছে পুঁড়ে গরীব- দুঃখীর জীবন।
চাকুরীর মেদিনী জুড়ে রয়েছে জানি সুদ, ঘুষ আর অবিচার
নিরাশ হয়ে রয়েছে যে তাই অসহায় ভাংগা মন্টা আমার।
জীবন যেন একটা রংধনু, বদলায় রং বারে বার
বিজয়ী হওয়ার আশায় লিখলাম কবিতা ভাংগা মন আমার।।