শীতের অনেক রঙ;
এই যে রেললাইনের ধারে, কোন বস্তির পাড়ে
ছেড়া কাথায় নিবারণ-
ঢাকা পরে ভোগবাদী জীবনে, তথাকথিত সভ্যতার ক্ষণে;
বিলাসী শরীরে বিলাসবহুল আবরণ
শীতের অনেক রঙ।

প্রিয়জনের উষ্ণতা থেকে শুরু করে-
চামড়া একই ভাবে ফাটে সব মানুষে,
তবু কারো কারো আছে পেট্রোলিয়াম জেলির প্রলেপ;
কেউ দেখতে ভুলে গেছে, আগামীর চোখে জং
শীতের অনেক রঙ।

একদিকে হরেক রকম মোজা,
অন্যদিকে তেলে চিটচিটে পুরনো চাদর খোঁজা;
আচমকা বাতাসে যখন নিষ্পাপ কাপুনি,
ক্যামেরার চোখে তা, বাহ, বাহ, কি দারুণ ঢঙ
শীতের অনেক রঙ।

কেউ শুনবেনা, জানবেনা, বুঝবেনা
গুটি গুটি পায়ে শৈশব থেকে বৃদ্ধ, নগ্ন পা-
শিশিরের বিন্দু বিন্দু জলে প্রতি শীতে ধোয়া,
এমনি করে খোড়া হচ্ছে ক্ষুধার কুয়া।
এপিঠে পিঠা উৎসবের ভীড়ে, মুদ্রার ওপিঠ হারিয়ে যায়
মিষ্টি রোদের আবদার ওরা কখনো না চায়,
শুধু একটি কিশোর মনে মনে কবিতার সাড়া পায়;
যেখানে নেই কোন কুটিলতা কিংবা আস্ফালন
শীতের অনেক রঙ।