নবান্ন

নবান্ন (অক্টোবর ২০১৯)

মোঃ আকরাম খাঁন
  • ২৪০
হেমন্তের ছুঁই ছুঁই মৃদু হাওয়ায়,
পারম্ভিক অগ্রহায়ণে।
মাঠ ভরে উঠে বাহারী ফসলে,
দোলা জাগে কৃষাণ কৃষাণীর মনে।

ফসলের সুগন্ধে মুখরিত চারিদিক,
সবুজ মাঠ রাঙ্গে সোনালী সাঁজে।
গামছা কাস্তে হাতে ছুটছে একসাথে,
ব্যস্থ হয়ে সবে ফসলের কাজে।

মাঠের ফসলে ভরে বাড়ির উঠান,
আনন্দ ভেসে আসে মনে মনে।
ঘরে ঘরে শুরু হয় আতিথেয়তা,
মেতে উঠে চারদিক নবান্নের আয়োজনে।

পিঠা খির পায়েস নতুন চালের ভাত,
সুগন্ধ ছড়ায় হেমন্ত বাতাসে।
বাহারী খাবারে চলে ভুরিভোজ,
কেউ কুটুম বাড়ি যায় কেউ মেজবান হয়ে আসে।

নানা খেলায় মাতে শিশু কিশোর,
মেলা বসে বড় বাজার হাটে।
বাঁশের কুলা খই বাতাসা,
নানান জিনিস থাকে দোকান পাটে।

আনন্দে উল্লাসে ঐতিজ্যে,
নবান্ন উৎসব আসে বছর ঘুরে।
মনটা জুড়িয়ে দেয় কষ্ট উড়িয়ে দেয়,
স্মৃতি হয়ে রয়ে যায় হৃদয়পুরে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই মেঘ এই রোদ্দুর সুন্দর হয়েছে, আমার পাতায় আমন্ত্রণ
নাজমুল হুসাইন বেশ ভালো লাগা রইলো।

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

ষড়ঋতুর বাংলাদেশের কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাস মিলে হেমন্ত ঋতু। আর এই হেমন্তেুর শেষ দিকে অগ্রহায়নে। বাংলার সবুজ ফসলের মাঠ রুপান্তর হয় সোনালী ফসলে। আর কৃষান কৃষানীরা ব্যস্ত হয়ে উঠে ফসল সংগ্রহের কাজে। নতুন ফসলে উত্তেলনের সাথে সাথে তাদের মাজে আনন্দ আমেজে উদ্ভব হয়। যা রুপ নেয় নবান্ন উৎসবে। আর এই উৎসবে নানার খাবারের আয়োজন হয়। নানা রকম অনুষ্ঠান হয়। সবা মিলে মিশে ভাগাভাগি করে নেয় নবান্নের এই উৎসব। যা ফসল তোলার কাজের যে কষ্ট তা উড়িয়ে দিয়ে আনন্দে ভরিয়ে দেয়। যা স্মৃতি হয়ে রয়ে যায় সবার হৃদয়ে। প্রতি বছরে ঘুরে ঘুরে আসে নবান্নের এই উৎসব। এটা আমাদের ঐতিজ্যবাহী উৎসব হিসেবে খ্যাত। বাঙ্গালীর ঐতিজ্যের উৎসব। নতুন ফসল আগমনের উৎসব।

১৬ সেপ্টেম্বর - ২০১৯ গল্প/কবিতা: ১ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬