কবিতাটি অন্যায়,অবিচার,স্বাধীন হয়েও পরাধীনতার দাগ,চলমান ঘটে যাওয়া নারীর প্রতি( অন্যায়,অত্যাচার,অপহরণ,ধর্ষন) এর বর্বরতা আর এর থেকে উত্থানের করণীয়তার আভাস,দারিদ্রতার করুন পরিনতির দিক,কৃষক-শ্রমিকের শ্রমের মূল্যায়ন ইত্যাদির উপর চলমান-চিত্রে ব্যাখ্যা করা হয়েছে সামাজির অবক্ষয়।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৮ অক্টোবর ১৯৯৮
গল্প/কবিতা: ১টি

সমন্বিত স্কোর

২.৮৫

বিচারক স্কোরঃ ১.০৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৮ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - মিলন (আগস্ট ২০১৯)

কিংবদন্তী
মিলন

সংখ্যা

মোট ভোট ১২ প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৮৫

Anoy Hasan

comment ৬  favorite ০  import_contacts ১২৫
যদি পুরো শহর খালি হয়ে যেতো,
আমি আবার সবুজ-পতাকায় লাল রেখা এঁকে দিতাম,
যাতে বর্ণাঢ্য হতো চোষক-পোষক,দেশদ্রোহের ঘেটলা লাল রক্ত!
আমি আবার সবুজ পতাকায় গুচ্ছ বট গাছ ছড়িয়ে দিতাম,
যাতে ফাঁসির মঞ্চে দোদুল্যমান হতো
ক্ষমতালোভীদের হস্ত!

যদি পুরো শহর খালি হয়ে যেতো!
আমি আবার তারুল-জারুল,হিজল,নিম,তুলসীর বীজ রুকে দিতাম,
তেঁতো আর ওষধি ঘ্রাণে মরে যেতো সব ব্যাকটেরিয়া!
আমি আবার কালোরঙ ছিটিয়ে হাইকোর্ট বানাতাম!
যাতে সমাধিত হতো ব্যভিচারের সব কল্লা খুলি,
তৃতীর জন্মে আর অন্যায় হতোনা।

যদি আবার পুরো শহর খালি হয়ে যেতো,
আমি আবার দারিদ্র্যের করুন দৃশ্য ভাষ্কর্ষে গড়িতাম,
যাতে ভাষা শহীদের পার্শ্বে দাঁড়াত আমার কৃষক,শ্রমিক ভাই।
যাতে থালা হাতে দণ্ডায়মান হতো ভুখা সে মুক্তির মা!
অথচ ধণীর ঘরে আহার যায় খালে!
অথচ অর্থের জোরে মুক্তিযোদ্ধা যে কাপুরুষ!

যদি এ শহরটা খালি হয়ে যেতো!
আমি সদ্য ঘামানো ধর্ষণকারীর হাত-পা বেঁধে উলঙ্গে-উলম্বে ঝুলিয়ে বলতাম এ তে থুঃথুঃ ছিটাও মোর মা বোন।
যেনো এক ফলক কুনজর আর না দেয় কোনো শুকর নারীর দিকে!

যদি এ শহরটা একবার খালি হয়ে যেতো!
আমি সাদা সদ্য নিস্পাপ পায়রা উড্ডয়ন করে দিতাম,
যাতে থকথকে সাদা ডানায় স্বর্ণাক্ষরিত হতো "সোনার বাংলাদেশ",
যেনো পায়রা উড়ে ধুয়ে মুছে দিতো সব পাপের অন্তনাম।

যদি এ শহরটা খালি হয়ে যেতো!
এ শহরের স্মৃতিসৌধে গিয়ে বলিতাম,
দেখো মোর মা জননী ফুটেছে এবার স্বাধীনতার ফুল,
দেখো ত্রিশ লক্ষ প্রাণের খুশির আর্তনাদে ফেটে যাচ্ছে কবর!
যেনো বইছে আজ মাঠ-ঘাট,নদ-নদীতে দেওয়া রক্তের তাজা দীপ্ত বাতাস!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement