কিংবদন্তী

একটি বিয়ে (আগষ্ট ২০১৯)

Anoy Hasan
  • ২৮৬
যদি পুরো শহর খালি হয়ে যেতো,
আমি আবার সবুজ-পতাকায় লাল রেখা এঁকে দিতাম,
যাতে বর্ণাঢ্য হতো চোষক-পোষক,দেশদ্রোহের ঘেটলা লাল রক্ত!
আমি আবার সবুজ পতাকায় গুচ্ছ বট গাছ ছড়িয়ে দিতাম,
যাতে ফাঁসির মঞ্চে দোদুল্যমান হতো
ক্ষমতালোভীদের হস্ত!

যদি পুরো শহর খালি হয়ে যেতো!
আমি আবার তারুল-জারুল,হিজল,নিম,তুলসীর বীজ রুকে দিতাম,
তেঁতো আর ওষধি ঘ্রাণে মরে যেতো সব ব্যাকটেরিয়া!
আমি আবার কালোরঙ ছিটিয়ে হাইকোর্ট বানাতাম!
যাতে সমাধিত হতো ব্যভিচারের সব কল্লা খুলি,
তৃতীর জন্মে আর অন্যায় হতোনা।

যদি আবার পুরো শহর খালি হয়ে যেতো,
আমি আবার দারিদ্র্যের করুন দৃশ্য ভাষ্কর্ষে গড়িতাম,
যাতে ভাষা শহীদের পার্শ্বে দাঁড়াত আমার কৃষক,শ্রমিক ভাই।
যাতে থালা হাতে দণ্ডায়মান হতো ভুখা সে মুক্তির মা!
অথচ ধণীর ঘরে আহার যায় খালে!
অথচ অর্থের জোরে মুক্তিযোদ্ধা যে কাপুরুষ!

যদি এ শহরটা খালি হয়ে যেতো!
আমি সদ্য ঘামানো ধর্ষণকারীর হাত-পা বেঁধে উলঙ্গে-উলম্বে ঝুলিয়ে বলতাম এ তে থুঃথুঃ ছিটাও মোর মা বোন।
যেনো এক ফলক কুনজর আর না দেয় কোনো শুকর নারীর দিকে!

যদি এ শহরটা একবার খালি হয়ে যেতো!
আমি সাদা সদ্য নিস্পাপ পায়রা উড্ডয়ন করে দিতাম,
যাতে থকথকে সাদা ডানায় স্বর্ণাক্ষরিত হতো "সোনার বাংলাদেশ",
যেনো পায়রা উড়ে ধুয়ে মুছে দিতো সব পাপের অন্তনাম।

যদি এ শহরটা খালি হয়ে যেতো!
এ শহরের স্মৃতিসৌধে গিয়ে বলিতাম,
দেখো মোর মা জননী ফুটেছে এবার স্বাধীনতার ফুল,
দেখো ত্রিশ লক্ষ প্রাণের খুশির আর্তনাদে ফেটে যাচ্ছে কবর!
যেনো বইছে আজ মাঠ-ঘাট,নদ-নদীতে দেওয়া রক্তের তাজা দীপ্ত বাতাস!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Asraful Islam কবিতাটা পড়তে গিয়ে মনে হল, আমার মনের কথাগুলো আপনি কবিতার মাধ্যমে লিখেছেন l সত্যিই চমৎকার লাগলো l ভোট রইল
মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী দারুণ থিমের কবিতা। দেখো ত্রিশ লক্ষ প্রাণের খুশির আর্তনাদে ফেটে যাচ্ছে কবর! যেনো বইছে আজ মাঠ-ঘাট,নদ-নদীতে দেওয়া রক্তের তাজা দীপ্ত বাতাস! অনেক শুভ কামনা ও ভোট রইল।।
Shahadat Hossen খুব ভালো উপস্থাপন,
মাইনুল ইসলাম -1" OR 5*5=25 or "N7OdHqQO"=" চমৎকার প্রতিবাদী কবিতা।মুগ্ধ হলাম।ভোট রইল।আসবেন আমার "তিথির বিয়ে" গল্প আর "ছুঁয়ে দেখা বৃষ্টির মতো" কবিতা পড়তে।আমন্ত্রণ রইল।
রুহুল আমীন রাজু N/A চমৎকার শব্দের গাথুনি। অনেক শুভকামনা।

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

কবিতাটি অন্যায়,অবিচার,স্বাধীন হয়েও পরাধীনতার দাগ,চলমান ঘটে যাওয়া নারীর প্রতি( অন্যায়,অত্যাচার,অপহরণ,ধর্ষন) এর বর্বরতা আর এর থেকে উত্থানের করণীয়তার আভাস,দারিদ্রতার করুন পরিনতির দিক,কৃষক-শ্রমিকের শ্রমের মূল্যায়ন ইত্যাদির উপর চলমান-চিত্রে ব্যাখ্যা করা হয়েছে সামাজির অবক্ষয়।

০৪ জুলাই - ২০১৯ গল্প/কবিতা: ১ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "রহস্য”
কবিতার বিষয় "রহস্য”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মার্চ,২০২৬