আবার এসেছে ফিরে, বাঙালির ঘরে, নবরুপে পহেলা বৈশাখ…
আজ শুধুই ভালবাসার উজানে,বাঙালির বর্ষবরণ নানা আয়োজনে,
রমনীরা আজ সেজেছে নতুন সাজে, পায়ের নূপুর ঘুঙ্গুর বাজে।
নাচবে দুলেদুলে দেখবো প্রানখুলে, প্রিয়ার ভালবাসা জমা থাক।
আবার এসেছে ফিরে, বাঙালির ঘরে, নতুন সাজে পহেলা বৈশাখ।

লালপেড়ে শাড়ি কানে দিয়েদুল, চোখে কাজল খোপায় গাঁদা ফুল,
কামার, কুমার, জেলে, তাতি, হিন্দু, মুছলিম, বোদ্ধ, খৃষ্টান জাতি,
আনন্দ উল্লাসে বৈশাখি মেলায় এসে,আজ সব ভেদাভেদ ভুলেযাক।
আবার এসেছে ফিরে, বাঙালির ঘরে, নতুন করে পহেলা বৈশাখ।

বটের ছায়ায় রাখালের বাঁশি, ফসলের মাঠে কিষানের হাঁসি ।
পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে, পাখির কল-কাকলী সুরের ছন্দে।
বাতাসে ছড়াল সুগন্ধ মনের আনন্দ,কৃষ্ণচুড়ার রং হৃদয়ে ছড়াক।
আবার এসেছে ফিরে, বাঙালির ঘরে, নতুন করে পহেলা বৈশাখ।

বৈশাখি ঝড়, আসছে সেজে বর, কাল মেঘ অপলকে চেয়ে থাক,
ইলিশ আর পান্তা খেয়ে রমনার বটমুলে বাজায় ঢোল আর ঢাক।
গ্রামবাংলার ঘরেঘরে কেউ খাই প্রানভরে, পান্তাভাত আর শাক।
আবার এসেছে ফিরে, বাঙালির ঘরে, নতুন করে পহেলা বৈশাখ।

কৃষকের সোনার ধানে, রাখালের গানে, জুড়াই মোদের প্রান,
মনে আজ আনন্দ ভুলে সব মন্দ, নাহি কোন মান অভিমান।
দুপুরের খরাই বটের ছায়ায়, সব জ্বরা ক্লান্তি ধুয়ে মুছে যাক।
আবার এসেছে ফিরে,বাঙালির ঘরে, নতুন করে পহেলা বৈশাখ।