অর্ন্তদাহ

কষ্ট সংখ্যা

Lubna Negar
মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৩
  • 0
  • 0
  • ৩৪৫
এবার বছর শেষেই শীত চলে গেছে । বসন্ত কালে খুব গরম পড়েছিল । চৈত্রের তীব্র দাবাদহে প্রাণ ছিল ওষ্ঠাগত । বৈশাখ মাস শেষ হতে চলল তবু বৃষ্টির দেখা নেই । দেশে লকডাউন চলছে । অন্য দিন মধ্যাহ্নের এই সময়টা বাশার আলীর কাটে
অফিসে । বাশার আলী কৃষি মন্ত্রনালয়ে একাউন্ট অফিসার পদে চাকরি করেন । অফিসে কাজের মধ্যে ব্যস্ত থাকলে সময় কিভাবে কেটে যায় তিনি টের পান না । কিন্ত করোনার প্রকোপে অফিস ছুটি থাকায় তিনি বাড়ির সামনের বারান্দায় একটা ইজিচেয়ারে বসে আছেন । বাশার আলীর স্ত্রী মনজিলা বেগম সকাল থেকে দুই বার এসে ঘুরে গেছেন । এখন আবার এসে বললেন , এই ভর দুপুরে রোদের মধ্যে বারান্দায় বসে আছো কেন ? চল ভিতরে চল । কিন্ত বাশার আলী নিরুত্তর । প্রকৃতির রুদ্র রূপের মতোই তার মনের অবস্থা থমথমে । পেশায় একাউন্টটেন্ট হলেও সহজ সরল বাশার সাহেব জীবনের চাওয়া পাওয়ার হিসাব নিয়ে কখনো তেমন ভাবেননি । অন্যের সম্পদ বা উন্নতির দিকে পরশ্রীকাতর দৃষ্টিও তার ছিল না। কিন্তু আজ এই বায়ান্ন বছর বয়সে তার হৃদয় থেকে তীব্র রক্তক্ষরণ হচ্ছে। বার বার নিজের মনের কাছে প্রশ্ন করছেন । খুব বেশি কিছু কি চেয়েছিলাম? আজ একমাস হলো তার মেজ ছেলে শফিক বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে ।
শফিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ের ছাত্র । অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তির সময় মনজিলা পই পই করে ছেলে কে রাজনীতি করতে নিষেধ করেছিলেন। মা বলেছিলেন, বাবা , আমরা মধ্যবিত্ত । আমাদের চাকরি করে খেতে হবে । ডিগ্রী অর্জন করাটাই তপস্যার ব্যাপার । খবরদার , রাজনীতি করে এমন ছেলেদের ছায়াও মারাবি না । শফিক ছেলেবেলা থেকে লেখাপড়ায় ভাল । বাশার সাহেবের ইচ্ছা ছিল ছেলে সায়েন্স নিয়ে পড়বে । ভবিষ্যতে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার এর মতো কিছু একটা হবে । কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার পর শফিক যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে পড়তে চাইলো তখন বাশার সাহেব খুশি হতে পারেননি । কিন্তু ইতোমধ্যে তার ছোট ছেলে তৌফিক বুয়েটে চান্স পেয়ে ভর্তি হয়ে গেছে । তাই শফিকের পড়ার ব্যাপারে বাবা আর আপত্তি করেননি । তিনি মনে মনে ভাবলেন , অর্থনীতি বিষয়ে ভালো রেজাল্ট করলে শফিক প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পেতে পারে । অন্য চাকরির পথ তো খোলাই থাকলো ।
শফিক ছোটবেলা থেকে ছিল ভাবুক প্রকৃতির । বাশার সাহেব ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার বই পড়তে উৎসাহিত করতেন । তৌফিক স্মার্টফোন এবং কম্পিউটার গেমসে আসক্ত হলেও শফিকের জীবনের প্রধান আকর্ষণ ছিল বই । কলেজে থাকতেই তারাশংকর এবং মানিক বন্দোপাধ্যায়ের কিছু উপন্যাস সে পড়ে ফেলেছিল । তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়ের চৈতালি ঘুর্নি উপন্যাস পড়ে জেনেছিল মানুষের দারিদ্র্য , দুঃসহ অবস্থা , আর উচ্চবিত্ত শ্রেণীর শোষণের কথা । লেনিন ধনি এবং দরিদ্রকে দুই জাতি বলতেন ।ঢাকার রাস্তায় হাটঁতে গেলে আকাশচুম্বি বাড়ির পাশে অবস্থিত বস্তিবাসীর মানবেতর জীবন সেই কথারই যেন প্রতিধ্বনি হয়ে শফিকের কাছে ফিরতো । মানিক বন্দোপাধ্যায়ের চিহ্ন উপন্যাস পড়ে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের চিন্তাধারার সাথে শফিক পরিচত হয়েছিল । সে সবিস্ময়ে লক্ষ্য করেছিল , মধ্যবিত্ত শ্রেণী নিজের উন্নতি ছাড়া আর কিছু ভাবে না। এদের চরিত্র সুবিধাবাদী ধরণের । বিপলবের সময় মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ভূমিকা প্রতিক্রিয়াশীল । তবে শফিক সচেয়ে বেশি নাড়া খেয়েছিল ম্যাক্সিম গোর্কির মা উপন্যাস পড়ে । দার্শনিকরা পৃথিবীকে শুধু ব্যখ্যাই করেছেন । আসল কাজ হচ্ছে পৃথিবীকে বদলানো । সমগ্র উপন্যসে কার্ল মার্কসের এই উক্তির কথাই যেন বলা হয়েছে ।
এইসব বিষয় নিয়ে ভাবতে ভাবতে শফিকের অর্থনীতি পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরী হয়েছিল । তার মনে হয়েছিল মানব সমাজে বৈষম্যের উদ্ভব , ধন বন্টন প্রক্রিয়া,এবং অধিকাংশ মানুষের দারিদ্র্য সম্পর্কে তার আরো বিশদ ভাবে জানা দরকার । ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় শফিক প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে পড়ে । সে শুধু লেখাপড়ায় ভাল ছাত্র হয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চায়নি । কোনো কোনো দিন রাতের বেলা বাড়ির ছাদে উঠে যেত শফিক । মেঘ মুক্ত আকাশে অসংখ্য তারার মিছিল দেখতে দেখতে বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের বিশালতা এবং বৈচিত্র্য সম্পর্কে বিস্মিত হয়ে যেত সে । অবাক হয়ে ভাবতো কি বিশাল এই মহাকাশ , আর প্রকৃতির অপার রহস্য । সহস্র বছরেও মানুষ সব রহস্যের সমাধান করতে পারেনি । তার কেবল মনে হতো এই পৃথিবীতে সে মাত্র একবারই মানব জন্ম লাভ করেছে । আর কোনো দিন সে মানুষ হিসেবে ফিরে আসতে পারবে না । এই দুর্লভ জীবন শুধুমাত্র বিসিএস গাইড মুখস্থ করার জন্য প্রস্তুত হতে তার মন চাইতো না । আর এইসব চিন্তার কারণেই বাবার সাথে তার দ্বন্ধ শুরু হয় । রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি শফিক বাড়িতে কারো কাছে গোপন করে নি । মিথ্যা কথা বলা তার স্বভাব বিরুদ্ধ ।
বাশার সাহেব ছেলের রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি একেবারে মেনে নিতে পারেন নি । প্রথমে তিনি উপদেশ দিয়েছেন । জবাবে শফিক তাকে বলেছে , আমি মানুষের জন্য কাজ করছি । সমাজের বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করা অনেক মহৎ কাজ । রেগে গিয়ে বাশার আলী ছেলের উপর আরো কঠোর হয়েছেন । পিতা পুত্রের দ্বন্ধ নিত্য নৈমন্তিক রূপ লাভ করলো । কিন্তু তবুও শফিক তার মত বা পথের কোনো পরিবর্তন করলো না । একদিন বাশার সাহেব প্রচন্ড রেগে গিয়ে বললেন , এইসব কৃষক মজুরের রাজনীতি করলে তার বাড়িতে থাকা চলবে না । শফিক বিনা বাক্য ব্যয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেল ।
মনজিলা বারান্দায় এসে দেখেন , বাশার আলী একই ভাবে বসে আছেন । দিনের পর দিন একই রকম নির্বাক ভাবে বসে থাকেন তিনি । মনজিলার ভয় হয় মানুষটা অসুস্থ না হয়ে যায় । একটা চেয়ার টেনে নিয়ে মনজিলা তার পাশে বসলেন । মৃদু স্বরে জিজ্ঞাসা করলেন , কি হয়েছে তোমার ? শরীর খারাপ ? বাশার আলী সংক্ষেপে উত্তর দিলেন , না, আমি ঠিক আছি ।
মনজিলা একটু ইতস্তত করে বললেন , আমি বলি কি খোকা কে তুমি ফিরে আসতে বলো ।
সহসা অগ্নিশর্মা হয়ে উঠলেন বাশার সাহেব , শফিক দেশোদ্ধার করতে গেছে । তাকে ফিরে আসতে বলার আমি কে ? সারা জীবন কি এইজন্য আমি সংসারের ঘানি টেনেছি? সে বলে কিনা সমাজ পরিবর্তনের জন্য আত্নত্যাগ করবে । অকৃতজ্ঞ । একেবারে অকৃতজ্ঞ । বাবা মায়ের কষ্ট টা বুঝলো ?
মনজিলা কি বলবেন বুঝতে না পেরে চুপ করে রইলেন । বাশার সাহেবের বাবা ছিলেন কৃষক । নিজের ভিটেটুকু ছাড়াও চাষাবাদের জন্য স্বল্প পরিমাণ জমি তার ছিল । তবু পাচঁ ভাইবোনের সংসারে অভাব অনটন লেগে থাকতো । বাশার সাহেব ভাইবোনদের মধ্যে সবার বড় । তিনি যখন বিকম পড়েন তখন তার পিতা মারা যান। ছয় সদস্যের সংসারের ভরনপোষণের দায়িত্ত্ব এসে পড়ে তার কাধেঁ । তিনি দায়িত্ত্ব পালনে অবহেলা করেননি । বিকম পাস করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য না ছুটে বাশার সাহেব চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরেছেন । কৃষি মন্ত্রণালয়ে ক্লার্ক পদে প্রথম তিনি চাকরিতে যোগদান করেন । পরে প্রমোশন পেয়ে আজ তিনি একাউন্ট অফিসার । তার চেষ্টায় বোনগুলোর ভালো বিয়ে হয়েছে । ছোটভাই প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী । নিজের জীবনের ঘটনা প্রবাহের সাথে তার সন্তানদের জীবনযাত্রার ধরণ তুলনা করে তিনি মেলাতে পারেন না । বাবার মতো কোনো ছেলেমেয়েকেই কঠোর বাস্তবতার সম্মুখীন হতে হয়নি । তবু শফিক বাবার কথা শুনলো না । স্ত্রীর সাথে কথা বলার সময় আজ তার কন্ঠে সেই আক্ষেপ শোনা যায় ।
মনু , সন্তানদের কোনো ইচ্ছাই তো আমি অপূর্ণ রাখিনি । তবু শফিক আমার কথা শুনলো না । মনজিলা নীরব হয়ে থাকেন । এই কথার উত্তর তার জানা নেই ।
এমন সময় সদর দরজায় কলিং বেল বেজে উঠলো । দরজা খুলে মনজিলা অবাক হয়ে গেলেন । দরজার সামনে দাড়িঁয়ে আছে তাদের একমাত্র মেয়ে সাথী । কোলে তার দুই বছরের ছেলে অর্পন । কি ব্যাপার? কোনো খবর না দিয়ে চলে আসলে যে? জামাই কোথায়? প্রশ্নগুলো করতে গিয়েও মনজিলা থেমে গেলেন । সাথী কে বিধ্বস্ত দেখাচ্ছে । মুখে কালসিটে দাগ । চোখে অশ্রু টলমল করছে । মনজিলা শংকিত ভাবে জিজ্ঞাসা করলেন , কি রে ? তোর কি হয়েছে ? উত্তরে সাথী ডুকরে কেদেঁ উঠলো । অর্পন কে কোল থেকে নামিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরলো । কান্নাকাটির শব্দ পেয়ে বাশার সাহেব বারান্দা থেকে চলে এসেছেন । তিনিও সাথীর অবস্থা দেখে অবাক । মেয়েকে সোফায় বসিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করলেন । কিন্তু কান্নার দমকে কিছুই বলতে পারছিল না সাথী । অনেকক্ষণ পর সে যন্ত্রনাবিদ্ধ স্বরে যা জানালো তার সারমর্ম এই , সাথীর স্বামী জামিল একটা কোম্পানিতে ম্যানেজার পদে চাকরি করে । কর্মক্ষেত্রে প্রমোশনের জন্য সে নানাভাবে চেষ্টা করছিলো । শেষে সে সাথীকে বলে তার কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টরের সাথে রাত কাটাবার জন্য । সাথী রাজী না হওয়ায় জামিল তার গায়ে হাত তোলে । উপায়ন্তর না দেখে সাথী বাড়িতে চলে এসেছে ।
জামিল ছিল তার জেনারেশনের আদর্শ ছেলে । ছোটবেলা থেকেই সে লেখাপড়ায় ভাল । স্কুল এবং কোচিংয়ের বাইরে তার আর কোনো আগ্রহ ছিল না । নিজের উন্নতির জন্য সে সর্বাত্নক চেষ্টা করতো । বাশার সাহেব জামিল কে খুব পছন্দ করতেন । প্রায়ই শফিকের সামনে তাকে উদাহরন হিসেবে দাড়ঁ করিয়ে বলতেন , দেখ, ছেলেটা কিভাবে নিজের উন্নতি করছে । সমাজে আজ সে প্রতিষ্ঠিত । এরই মধ্যে সে ঢাকায় ফ্ল্যাট বুকিং দিয়েছে । শফিক ঠাট্টা করে বলতো , জামিল ভাইয়ের এই উন্নতি হলো মধ্যবিত্তের বুর্জোয়া হবার চেষ্টা । সমাজে কয়েক জন মানুষ মাত্র এই রকম উন্নতি করতে পারে । তারা এইজন্য বৈধ বা অবৈধ যে কোনো পন্থা অবলম্বন করে । আর দেশের বেশির ভাগ মানুষ দরিদ্রই থেকে যায় ।
বিকাল পেরিয়ে সন্ধ্যা হয়ে এসেছে । আকাশে দুই একটা তারা ফুটেছে । বাশার সাহেব বারান্দায় বসে আছেন । নীরব থাকলেও তার মনের মধ্যে আলোড়ন চলছে। তিনি ভাবছেন , মানুষ নিজের উন্নতির জন্য এতো নীচে নামতে পারে? জামিলের তো অর্থ , সম্পদ , প্রতিষ্ঠা সবই আছে । তবু কেন এই অমানবিকতা? আজ বহুকাল পর শফিকের কথাগুলো তার মনে পড়লো । শফিক বলতো , যে সমাজে কিছু মানুষের হাতে সব সম্পদ কুক্ষিগত থাকে আর বাকি সবাই মানবেতর জীবনযাপন করে সেই সমাজে আর যাই হোক মনুষ্যত্ব থাকে না । মনজিলা কখন এসে দাড়িঁয়েছে বাশার সাহেব টের পাননি । স্ত্রীর কথায় তার চিন্তাসূত্র ছিন্ন হলো । মনজিলা বললেন , মেয়েটা কিছুই খেতে চাইছে না । অনেক চেষ্টার পর কিছু মুখে দিয়েছে । বিছানায় শুইয়ে দিয়েছি ।
বাশার আলী একটা নিঃশ্বাস ফেলে বললেন , বিশ্রাম নিক । ওর ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে ।
মনজিলা উদ্বিগ্ন ভাবে বললেন , শোনো, তুমি জামিলকে ফোন করো । বিষয়টা তো মিটাতে হবে ।
বাশার আলী বললেন , আমি পারবো না । ঐ অমানুষটার কাছে আমি কোনো অনুনয় করবো না । মনজিলা বললেন , এই রকম ঘটনা তো কতো বাড়িতে হয় । মেয়েরা সব কিছু মেনে নেয় । মুখ বন্ধ করে সংসার করে ।
বাশার আলী দৃঢ় স্বরে বললেন , সাথীর যদি নিজের ইচ্ছা হয় তবে জামিলের সংসারে যাবে । আর না গেলে সংগ্রাম করে বেচেঁ থাকবে । আমি তাকে পূর্ণ সহযোগিতা ওসমর্থন দেবো ।
সিধান্তটি নিতে পেরে বাশার আলীর নির্ভার লাগছিল । আজ বহুদিন পর শফিকের প্রতি তার জমে থাকা ক্ষোভ ও কষ্ট প্রশমিত হয়ে গেল ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Dipok Kumar Bhadra অভিনন্দন রইল।
মোঃ মোশফিকুর রহমান অসাধারণ লাগলো তাই সর্বোচ্চ ভোট করলাম
Dipok Kumar Bhadra সুন্দর লিখেছেন।
ফয়জুল মহী ,ভীষণ ভালো লাগলো,শুভ কামনা অহর্নিশি I

০৩ মার্চ - ২০১৯ গল্প/কবিতা: ১ টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৩

বিচারক স্কোরঃ ১.৩ / ৭.০ পাঠক স্কোরঃ ৩ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "বন্ধুত্ব”
কবিতার বিষয় "শূন্যতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর,২০২১