আকাশের অস্তিত্ব কি এখনো অল্প লাগে?
এখন একা একা বিভোর হই সাময়িক আনন্দে-
রাতে স্বল্প ক্ষণের উষ্ণতা শরীরে অত্যাচার লাগে,
একের পর এক স্মৃতির দিন প্রতিদিন নতুন হয়,
এই নতুন কখনো পুরনো শব্দকে ফিরে পায় বর্তমানে,
পাওয়ারই কথা শব্দ তো আমার তৈরি নয়,
আমার যা তৈরি ছিল আর যা তৈরি হয়েছে
সেখানে শব্দরা আসতে লজ্জা পায়,ধিক্কার জানায়,
শরীরে আঘাত করলে যেমন পাশের কোষ আন্দলিত হয়ে মারা যায়,
ঠিক সেভাবেই মন প্রতিদিন মারা যায় অতলে,উপরে পদ্ম ভাসে
নতুন যখন স্পর্শ দেয় সন্তানের জন্য,
তখন সৃষ্টির উপর ঘৃণা তীব্র ভাবে আঘাত করে,
এই আঘাত গুলো একান্তে রাতের আধারে বিলীন হয় অন্যের স্পর্শের সময়
আর দিনের ক্ষণে জমা হয় শরীর ছাড়িয়ে,জীবনে।
ভাঙ্গার জন্য শক্তি লাগে না,
তবুও মনের মাঝে সর্বখানে ভাঙ্গার আওয়াজ পাই,
এই আওয়াজের শক্তি বাতাসকে স্তব্ধ করতে চায়,
সেদিন বিষ নিয়েও থমকে গেছি আয়নায় আমার রুহ দেখে
জীবনের রুহ কজন দেখতে পারে?
আমি আর্তনাদ করলেও আর্তনাদেরা সাড়া দেয় না,
বরঞ্চ বলে যায় আর্তনাদকে বিরক্ত না করে চুপ থাকতে
তখন চুপ এসে বলে-কষ্ট এমনই,রক্ত বের হবে না,শরীর কাটবে না,
অথচ জ্বলবে,যন্ত্রনা দিবে,যন্ত্রনা তৈরি করাবে।
আমি চুপ এই কাজই করি,আর অন্ধকার নিয়ে রুহকে স্পষ্ট ভয় দেখাই।
কষ্ট আর কত তীব্র হয় ?
কত তীব্র কষ্ট হলে অন্ধকারের সাথে জীবনের স্পর্শ দিয়ে,
সাময়িক উত্তালে দৃশ্যমান আনন্দ দিতে সায় দেয় মন?
সে কি জানে না কষ্ট কোথায়?
ভাঙ্গতে চাওয়া আর ভেঙ্গে ফেলা আর ভেঙ্গে দেব
এই তিন জন্মকে ভেঙ্গে নতুন জোড়া তৈরির জন্ম
জন্মকেও বারবার মৃত্যুর মৃত্যুতে নিমন্ত্রণ পাঠায়,
কেউ ভাঙ্গবে বলেই আজ দিনের পর রাত হয়
মিথ্যাকে ভাঙ্গার সাথে সত্যের মতো জড়িয়ে রাখার তীব্রতা
দিন কে দিন মাতাল করে দিয়ে চলে যায়,
মুখের স্পর্শ সেই দুটো উঁঁচুতে-সাময়িক আনন্দের জন্য
সারাজীবন মানসিক কষ্টের সাগরে পলায়ত আসামীর মতো দূরে
রাখে আসল সত্য স্পর্শ আর সবকিছুকে।
অভিমান রাগ সে তো রাগেও অভিমান আর অভিমানেও রাগের জন্ম হয়,
কিন্তু জীবনের সমস্ত নীরবে যে আলোটুকু দরকার ছিল
তা শুধু ধোঁঁয়া হয়েই চারপাশে সবসময় থাকে,
সবসময় একান্ত ইচ্ছেই অদৃশ্যের চুমু দেয় সমস্ত সত্য চাওয়াই'
যে চাওয়া নতুনে কখনো কল্পনায়ও পাবে না,
যে সাহস এখনো আছে, সেই সাহস নত হয়ে আছে
শুধু মাত্র বক্ররেখার শীর্ষকে সমাজের চোখে সম্মানে রাখতে।