খুব গভীর নিষ্ফলা অনাদৃত আক্ষেপ থেকে জন্ম নেয় প্রমিত প্রচণ্ড ইচ্ছের রঙ।
প্রাণমনে ছড়িয়ে দিতে প্রস্তুত নীল হৃদয় জানি না কখন কোথায়-
উড়ছে ব্যাথায় পোড়া কাঁচের মতো মন চোখের প্রীতে হতাশার নোনাজল।
বুকের গভীরে ধীরে সন্তর্পণে গুটিগুটি হাঁটে প্রিয় আকাশটা যেন ওখানেই উজ্জ্বল।
ধরতে গেলে সে আকাশের শুভ্র ডানা এক চিলতে মেঘ সরে বসে করলো মানা।
আকাশের সাদা-কালো-নীলে ইচ্ছেমতন বাতাসের নীড়ে উড়ে চলে গাঙচিল।
নদীর তটে ঢেউ ভাঙ্গে আশ্রিত জলজ মুক্ত স্বাধীন কখনো ছুঁতে না চাওয়া।
মনে হলো কেন যেন এই ঘাশফুলের মতো বেঁচে থাকা রোদের আভায় হাসা পরাধীন।
খুব ভোরে দেখা স্বপ্নজট মনের কিনারে সপ্তদিবস এলোমেলো করে ছেড়ে তারপর চুপ।
হঠাৎ হঠাৎ মনে হয় দু’খের বাতিঘরে কেউ তো নেই আলো জ্বালাবার।
শূন্যতার বুকে দখিনা বাতাসও প্রায়শ দমবন্ধ করা গহীনে অবচেতন।
লৌকিক চোখে চোখে বিদ্ধ করে রাখে স্বপ্নের পৃথিবী তাও অজোড়া এখনো।
কখন যে সে বাতিঘরে আলো জ্বালবে সে প্রতীক্ষায় নিরবে নিভৃতে-
সুর খুঁজে তোমার পদধ্বনি একদিন আসবে ঠিক সবটুকু আলো হাতে নিয়ে।
মনের বিহারে নাচবে সেদিন বাতির ফোয়ারা তবুও কেন এইতো সেক্ষণেও-
চোখ দু’টি শুন্য; কাউকে দেখে না; খুব কাছে তোমার ঠিকানা।
মনের নিধির হার মেনে চলে বারবার বুঝতে গিয়েও কেন বুঝতে পারে না?