এই কবিতায় আমি তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি কিশোর-কিশোরীদের বয়সের একটি চালচিত্র। দল বেঁধে বই হাতে স্কুলে যাওয়া; স্কুল শেষে বিকেলে স্কুল মাঠে ক্রিকেট খেলা শেষে সন্ধ্যা বেলায় বাড়ি ফেরা; সবই তো কৈশোরেই হয়ে থাকে। এই বয়সে মনের মাঝে লুকিয়ে থাকে দুঃসাহসিক সব স্বপ্নের অভিযাত্রা। সবই যেন অন্যরকম; অন্যমাত্রার। বেশী সেয়ানাগিরি দেখালে স্কুলের শ্রেণী-শিক্ষকের হাতে কানমলা কিংবা বেত্রাঘাত এইসব তো কৈশোরের স্মৃতি। একেকজনের কৈশোরের স্মৃতি থাকে একেক-রকমের। তবে গ্রামের কিশোর-কিশোরীদের সাথে পাল্লা দিলে শহরের কিশোর-কিশোরীদের হাতে মোবাইল; ট্যাব এসবই যেন সময় কাটানোর জন্য বেশী দেখা যায় হাতে। আর গ্রামের নৈসর্গিক পরিবেশে বেড়ে উঠা কিশোর- কিশোরীদের যেন বিপরীত চিত্র। সংসারে মা-কে রান্নাবান্নায় সময় দিতে জানে একজন গ্রামের কিশোরী। গ্রামের কিশোর-কিশোরীদের হাতে এখন প্রযুক্তির পরশ থাকলেও পরিবেশের কারণে শহর-নগরের কিশোর-কিশোরীদের জীবন-চিত্রে অন্য অনেক ক্ষেত্রেও কিছুটা হলেও ব্যবধান খুঁজে পাওয়া যায় কৈশোরে। অনেক কিছুই ভালো লাগে কৈশোরে। জানা-অজানা মনের অনেক পিয়াসে আবেগি মন যেন কৈশোর।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৯ মে ১৯৮৫
গল্প/কবিতা: ৬টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কৈশোর (সেপ্টেম্বর ২০১৯)

কৈশোর-এক অনুভূতির খেলা
কৈশোর

সংখ্যা

পুলক আরাফাত

comment ২  favorite ০  import_contacts ৬৭
জীবনের নিয়মে শৈশব থেকে বেড়ে উঠে প্রকৃতির ডানপিটে বাধভাঙ্গা সাহস কৈশোর।
কৈশোর হলো মনের আয়নায় চোখে দেখে নিজেকে আবিষ্কারের নাম।
হাসতে হাসতে আম-বাগানের আম চুরি করে দলবেঁধে ছুটে পালানোর ছবি কৈশোর।
কৈশোর; শ্রাবণের অঝোর বর্ষণে দুরন্ত; সব ভুলে ফুটবলের নেশায় মাতোয়ারা আনন্দ।
অনবদ্য ভঙ্গিতে পুকুরের পানিতে একের পর এক ডিগবাজি দেয়ার নাম কৈশোর।
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কৈশোর এ সময়ে যেন উদ্ভাবনী শক্তির সাথে আরও কতকিছু।
কৈশোর যেন বিকেলে মাঠে ক্রিকেটের স্পন্দনে বিশ্ব-সেরা হতে চাওয়া তবুও।
কৈশোর; চোখে থাকে খুশির ঝিলিক মনে মনে আঁকা কতো রং; কতো স্বপ্ন।
শত দারিদ্রেও কবি নজরুলের মতো একাট্টা অনুভূতি আর কিছুটা অভিমান।
পালোয়ানের মতো কতো পাঞ্জা লড়ে বাহুপতনের খোলা নাম কৈশোর।
রঙ্গিন ঘুড়িতে নিজের নাম লিখে বাতাসে উড়িয়ে আকাশ ছোঁয়ার অভিযাত্রা-
কৈশোর তো এমনটাই; এমনই; বন্ধুদের দলে আড্ডায় হাসিখুশি উজ্জ্বল-উচ্ছল একদম।
বাবা-মা’র কাছে ঈদে-পার্বণে; পুজোয় আবদারের খোলা মন-মতি কৈশোরেই ভাসে।
কেমন যেন একটা আকর্ষণ চুম্বকের মতো কাজ করে দুই লিঙ্গেই- সে তো কৈশোরে।
কৈশোর; ডানাকাটা মুক্ত আলোয় ভরা; তালাবন্ধ দরোজার ওপাশে কি আছে তার নাম।
যেমনটি গড়া যায় তেমনটি হতে পারার সর্বনাম সর্বদিকে সেটিই কৈশোর।
দেশকে ভালোবেসে একমুঠো মাটি হাতে দৃপ্ত শপথে বলীয়ান হতে চায় তারুণ্যের পথে-
উদ্দীপ্ত; উজালা; উদ্ভাস; প্রাণের সঞ্জীবনী গানে; মনের নিকুঞ্জে স্নানে;
কৈশোর নীল আকাশ; মেঘসিক্ত জয়গানে।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • নাজমুল হুসাইন
    নাজমুল হুসাইন কৈশোর; ডানাকাটা মুক্ত আলোয় ভরা; তালাবন্ধ দরোজার ওপাশে কি আছে তার নাম।চমৎকার লিখেছেন কবি।কিন্তু কমেন্ট বক্সে কেন যে কেউ আসেনি বুঝতে পারলাম না।আপনার জন্য পরামর্শ হল শুধু কবিতা পোস্ট করেই খান্ত হবেন না,অন্যের পাতায় আলোচনা সমালোচনা করুন বেশি বেশি,দেখবেন আপনার...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ৮ সেপ্টেম্বর
  • মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী
    মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী খুব চমৎকার লিখেছেন। তবে একই শব্দ বারবার ব্যবহার করাতে যেমন পড়ার রেষটা কমে যায়। এটা আমার ভাবনা শুধু। শুভ কামনা কবি।।
    প্রত্যুত্তর . ৮ সেপ্টেম্বর

advertisement