জীবনের নিয়মে শৈশব থেকে বেড়ে উঠে প্রকৃতির ডানপিটে বাধভাঙ্গা সাহস কৈশোর।
কৈশোর হলো মনের আয়নায় চোখে দেখে নিজেকে আবিষ্কারের নাম।
হাসতে হাসতে আম-বাগানের আম চুরি করে দলবেঁধে ছুটে পালানোর ছবি কৈশোর।
কৈশোর; শ্রাবণের অঝোর বর্ষণে দুরন্ত; সব ভুলে ফুটবলের নেশায় মাতোয়ারা আনন্দ।
অনবদ্য ভঙ্গিতে পুকুরের পানিতে একের পর এক ডিগবাজি দেয়ার নাম কৈশোর।
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কৈশোর এ সময়ে যেন উদ্ভাবনী শক্তির সাথে আরও কতকিছু।
কৈশোর যেন বিকেলে মাঠে ক্রিকেটের স্পন্দনে বিশ্ব-সেরা হতে চাওয়া তবুও।
কৈশোর; চোখে থাকে খুশির ঝিলিক মনে মনে আঁকা কতো রং; কতো স্বপ্ন।
শত দারিদ্রেও কবি নজরুলের মতো একাট্টা অনুভূতি আর কিছুটা অভিমান।
পালোয়ানের মতো কতো পাঞ্জা লড়ে বাহুপতনের খোলা নাম কৈশোর।
রঙ্গিন ঘুড়িতে নিজের নাম লিখে বাতাসে উড়িয়ে আকাশ ছোঁয়ার অভিযাত্রা-
কৈশোর তো এমনটাই; এমনই; বন্ধুদের দলে আড্ডায় হাসিখুশি উজ্জ্বল-উচ্ছল একদম।
বাবা-মা’র কাছে ঈদে-পার্বণে; পুজোয় আবদারের খোলা মন-মতি কৈশোরেই ভাসে।
কেমন যেন একটা আকর্ষণ চুম্বকের মতো কাজ করে দুই লিঙ্গেই- সে তো কৈশোরে।
কৈশোর; ডানাকাটা মুক্ত আলোয় ভরা; তালাবন্ধ দরোজার ওপাশে কি আছে তার নাম।
যেমনটি গড়া যায় তেমনটি হতে পারার সর্বনাম সর্বদিকে সেটিই কৈশোর।
দেশকে ভালোবেসে একমুঠো মাটি হাতে দৃপ্ত শপথে বলীয়ান হতে চায় তারুণ্যের পথে-
উদ্দীপ্ত; উজালা; উদ্ভাস; প্রাণের সঞ্জীবনী গানে; মনের নিকুঞ্জে স্নানে;
কৈশোর নীল আকাশ; মেঘসিক্ত জয়গানে।