মৃত্যুপথযাত্রী কিংবা কঠিন বিপদে পড়লে মানুষের অতীতগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠে। সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে মায়ের স্মৃতিগুলো। কারন সকল বিপদে একমাত্র ঢাল হিসেবে দাড়ান একজন মহীয়সী নারী, যার কাছে আমরা নির্ধিদ্বায় সবকিছু বলতে পারি। সবশেষে শুধু এই নারীর কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারি। এই কবিতাটিতে একজন অন্ধকার জগতের মানুষ তার মায়ের উদ্দেশ্যে শেষ কিছু আকুতি জানাচ্ছেন।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ মে ১৯৯৬
গল্প/কবিতা: ৩টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৯৯

বিচারক স্কোরঃ ১.৮৯ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.১ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - মা (মে ২০১৯)

মরীচিকা
মা

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৯৯

সালাহ উদ্দিন শুভ

comment ৭  favorite ০  import_contacts ২২২
মা,
তুমি পথ চেয়ে আর থেকো না,
তোমার ছেলে আর ফিরবে না,
একা একা অস্থির হয়ো না।

মা,
আটকা পড়েছি কারাগারে,
বাড়ি থেকে বহু বহুদুরে,
আমার জন্যে আর কেঁদো না।

এই বন্দী জীবন থেকে আর মুক্তি পাবোনা
ওপারের ডাক এসে গেছে, দেরী করা যাবেনা
খাবারটুকু শুকিয়ে গেছে মা, মরীচিকার আশায় বসে থেকোনা।

মা,
তুমি জানো, আমি দেখিনা আলো,
হারিয়ে যায় প্রিয় স্মৃতিগুলো,
তিতে হয়ে যায় চেনা মুখগুলো।

মা,
বাবা কি আজো বকবে আমায়?
আমাকে নিয়ে কি আজো সংশয়,
নাকি মেনে নিয়েছে পরাজয়।

এই বন্দী জীবন থেকে আর মুক্তি পাবোনা
ওপারের ডাক এসে গেছে, দেরী করা যাবেনা
খাবারটুকু শুকিয়ে গেছে মা, মরীচিকার আশায় বসে থেকোনা।

আজ ফিরে পেতে চাইছে এ মন
তোমার স্নেহভরা আশকারা,
ঠিকানা হারিয়ে খুঁজছি আজ
অসহায় আমি দিশেহারা।

মাগো কীভাবে যেন সব শেষ হল
করবে কি আমায় তুমি ক্ষমা!
নষ্ট হয়ে গেল সোনালী জীবনটা,
আমি খুব ভয় পাচ্ছি ও মা...

আমায় যেতে দিওনা...

এই বন্দী জীবন থেকে আর মুক্তি পাবোনা
ওপারের ডাক এসে গেছে, দেরী করা যাবেনা
খাবারটুকু শুকিয়ে গেছে মা, মরীচিকার আশায় বসে থেকোনা।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement