একবার চঞ্চল শব্দচূর্ণ জোছনার কণার মত
ছিটিয়েছিলাম তোমার কুন্তল কোমলে
প্রত্যাশার প্রবলতায় –
ফিরে আসেনি কোনো প্রতিধ্বনি।

আমার তৃষাতরঙ্গ এঁকেছে রেখা তোমার তটে
ঝিনুক আর জলের কোলাজে –
ডুবেছে জোয়ারে, ভেসেছে ভাটায়
তারপর মিশে গেছে বালুকার সাথে।

মোহের মিহি সুতোয় বুনেছিলাম
অনন্ত সোনালি সকাল তোমার বাতায়নমুখে –
আলো হয়নি তোমার ফাল্গুনী মুখ,
আগুন জ্বলেনি বুকে, গলেনি এতটুকু মেরুর হিম।

সুরভি খুঁজতে গিয়ে বকুল তলায়
কুড়িয়ে ফিরেছি লোবান আর ধূপ
সফেদ কাফনে ঢাকা স্বপ্নের লাশ -
তোমার শৈলবক্ষ রয়ে গেছে অনার্দ্র চিরকাল।

অনুপ্ত শব্দচূর্ণগুলো রইল পড়ে
অনুর্বর বীজতলায় অনন্তের কোলে –
কথার রেণু হয়ে ঝরেনি চাঁদনি পহরে;
আমার আকাশ ছেয়ে থাকে ছাইমাখা মেঘে।