কুয়াশার চাদর ফুঁড়ে সূর্যের সোনালী তির
শিশিরকণার বুকে বিঁধবার আগে
তুমি রেখেছ জ্বেলে শিখা অনির্বাণ
অন্ধকার এ বুকের গভীরে –
তার পর থেকে আকাঙ্ক্ষা বহ্নিমান।

জোনাকীর দীপ্ত মেলায় ঘনসন্ধ্যায়
ছিঁড়েছি কদম্বকেশর অর্থহীন একাকী বসে
নিঃসঙ্গ ডাহুক শুধু করেছে আক্ষেপ দূরের জলায়
চাঁদহীন আকাশ জুড়ে তারার বিদ্রুপ
বেতস লতায় আঁকা আলোছায়া তুমি।

জারুল শাখার ঘঘু ভেঙ্গে দিলে মৌন দুপুর
কেঁপে ওঠে ছায়াঘন মুর্তার বন
দমকা হাওয়া এসে ছুঁয়ে গেলে জলের শরীর
বুকের ভেতর তাতায় নিদাঘ সময়
নিঃশব্দে পুড়ে যায় অদেখা অতল।

মনের আকাশ আজ বৈশাখি ঈশান
মেখে থাকে বেদনার ছাই –
ভেতরে গর্জন করে আগুনের লাভা
নিরম্বু চরাচর এঁকে রাখে চৌচির হাহাকার
মৃত্তিকায় এবং আমার বুকের চাতালে।